উপজেলা প্রতিনিধি । হিলরিপোর্ট

কাপ্তাই: রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ৪ নং কাপ্তাই ইউনিয়ন এর ৫ নং ওয়ার্ড এর একটি অংশ ব্যাঙছড়ি মারমা পাড়া। কাপ্তাই সড়ক হতে এক কিলোমিটার উত্তর পাশে অবস্হিত এই মারমা পাড়ায় প্রায় ২০০ পরিবারের বসবাস।

উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগ এর একমাত্র পথ কাঁচা সড়ক। সড়কের কবলাছড়ার মুখে একটি জরাজীর্ণ ব্রীজ এলাকাবাসীর দু:খ হয়ে আসছিল বছরের পর বছর। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুম হলে অতি বর্ষণে ব্রীজটি পানিতে তলিয়ে যায়, তখন বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। ঝুঁকি নিয়ে জনসাধারণ চলাচল করে। এমতবস্হায় এগিয়ে আসেন ৪ নং কাপ্তাই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ।

তিনি রাঙামাটি থেকে নির্বাচিত সাংসদ দীপংকর তালুকদার এর সাথে পরামর্শ করে স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তর এর উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেন এবং অবশেষে এই ব্রিজ নির্মানের অনুমোদন আনেন।

সোমবার(১৫ জুন) কাপ্তাই উপজেলা স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তর এর তত্ত্বাবধানে ৫৭ মিটার এর এই আর সি সি গার্ডার ব্রিজ নির্মানের পাইলিং এর কাজ শুরু করা হয়। উদ্বোধনকালে ৪ নং কাপ্তাই ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ, উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম চৌধুরী, উপ – সহকারী প্রকৌশলী সরোয়ার আলম, ৫ নং ওয়ার্ড এর ইউপি সদস্য সজিবুর রহমান, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এম নুর উদ্দিন সুমন, স্থানীয় অধিবাসী থুইসাই মারমা, উচিংথোয়াই মারমা, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি কামরুল হাসান বাচ্চুসহ স্থানীয় অধিবাসীরা উপস্হিত ছিলেন।

স্থানীয় অধিবাসীরা জানান, এই এলাকায় একটি স্কুল, একটি বিহার সহ প্রায় ২ শতাধিক পরিবারের বসবাস। এই ব্রিজটি নির্মিত হলে তারা অতি সহজে তাদের উৎপাদিত পণ্য নতুনবাজার সহ উপজেলা সদরে নিয়ে বাজারজাত করতে পারবেন।

৪ নং কাপ্তাই ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ জানান, এই ব্রিজটি এতই জরাজীর্ণ যে, যেকোন সময়ে ভেঙ্গে যেতে পারে। তাই তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদারের পরামর্শে এলজিইডির উদ্বর্ধন কর্তৃপক্ষের নিকট ব্রিজটি নির্মাণের জন্য জোড় দাবি জানান এবং অবশেষে প্রকল্পটি পাস হয়।

উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম চৌধুরী জানান, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে এর নির্মাণ কাজ শুরু হলেও আগামী ৬ মাসের মধ্যে এর নির্মাণ কাজ শেষ হবে।