॥ মঈন উদ্দীন বাপ্পী ॥

রাঙামাটি রিজিয়নের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রিয়াদ মেহমুদ জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামে আইন শৃঙ্খলা সুষ্ঠু রাখা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন অবকাঠামো তৈরি করা গেলে পাহাড় থেকে সন্ত্রাস দমন করা সম্ভব হবে।

ব্রিগেডিয়ার আরও বলেছেন- এ প্রতিযোগিতার মূল উদ্দেশ্য হলো- পাহাড়ে বৈষম্য দূর করা। পাহাড়ি-বাঙালী বৈষম্য দূর করতে পারলে এ অঞ্চল হবে শান্তির জায়গা। এ অঞ্চলের উন্নয়ন কেউ ত্বরানিত করতে পারবে না বলে যোগ করেন ব্রিগেডিয়াল জেনারেল সৈয়দ রিয়াদ মেহমুদ

রোববার (১৪অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে রাঙামাটি রিজিয়নের সহযোগিতায় রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি মিলনায়তনে আন্ত:স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডিজিএফআই রাঙামাটি শাখার কমান্ডার কর্ণেল শামসুল আলম বলেছেন- পাহাড়ে পাহাড়ি-বাঙালী ছাত্ররা এক সাথে বসতে চায় না। কোন এক অদৃশ্য শক্তি এ বৈষম্য সৃষ্টি করছে পাহাড়ে। তাই লেখা-পড়ার মাধ্যমে এ বৈষম্য দূর করা সম্ভব নয়। এজন্য পাহাড়ের এ বৈষম্য সৃষ্টিকারীদের উৎখাত করতে হবে।

কর্ণেল শামসুল আরও বলেছেন, অস্ত্র দিয়ে ভয় দেখিয়ে পাহাড়ে চাঁদাবাজি এবং এবং স্ব-গোত্রীয় লোকদের হত্যা করা হচ্ছে। তাই তাদের মূলৎপাঠন করে পাহাড়ি-বাঙালী বৈষম্য দূর করার জন্য আমাদের সকলে মিলে কাজ করতে হবে।

এসময় রাঙামাটি জোন কমান্ডার লে: কর্ণেল রিদওয়ানুল ইসলামসহ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে লেকার্স পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ রাঙামাটি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়কে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম ডিবেট ফেডারেশনের আয়োজনে এ প্রতিযোগিতায় জেলার ১৬টি স্কুলের ৮০জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। ফাইনালে বিতর্ক প্রতিযোগিতার মূল প্রতিপাদ্য ছিলো- ‘অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নই পারে পাহাড়ে সন্ত্রাস মুক্ত করতে’।

প্রতিযোগিতায় সরকারি দলের ভূমিকায় ছিলো লেকার্স পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ এবং বিরোধী দলের ভূমিকায় ছিলো রাঙামাটি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিযোগিতা শেষে আগত অতিথিরা বিজয়ী এবং পরাজিত উভয় দলকে ট্রফি এবং ক্রেস্ট তুলে দেন।