বিশেষ প্রতিনিধি । হিলরিপোর্ট

কাপ্তাই: করোনা ভাইরাসে সংক্রমণ রোধে কর্মহীন হয়ে সবাই যখন গৃহ বন্দি তখন প্রকৌশলী নিজসহ আইডি হতে দেওয়া মোবাইল নাম্বারে পরিচয় উল্লেখ না করা শর্তে প্রদত্ত নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য একটা স্ট্যাস্টাস দেয়। সেই মোতাবেক যারা যোগাযোগ করেছেন তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী গুলো ঘরে পৌঁছায় দিয়ে এসেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এই প্রতিবেধকে জানান যে, প্রকৌশলী সুভাষ চৌধুরীর মহানুভবতায় আমরা বিমোহিত। উনার মতো হতো দ্ররিদের পাশে বিত্তবানরা এগিয়ে আসতেছে বলে হত দ্ররিদ অসহায় লোক জন দুই বেলা দুই মুটো খেয়ে বেঁচে আছে।

গত ৬ এপ্রিল আজকের কর্নফুলী, অনলাইন পোটারে মানবতার ফেরিওয়ালার সুভাষ চৌধুরীকে ফোন করলে ঘরে পৌঁছায় দিছে ত্রাণ। এই শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল।

অদ্য এই প্রতিবেদকে তিনি জানান রাঙ্গামাটি সদর, রাজস্থলি, বাঙালহালিয়া, কাপ্তাই, সিলেট, ঢাকায় মধ্যবিত্তদের যাদের সামাজিকতার ভয়ে অভাব অভিযোগ প্রকাশ করতে পারেনা তাদের মধ্যে প্রায় ৫০হাজার টাকার সমপরিমাণ অর্থ বিকাশ, নগদের মাধ্যমে পৌছে দিয়েছেন।এরকম ২/১জনের নামের তালিকা এই প্রতিবেদক নিজেই ওনাকে দিয়েছি।

এদের সাথে যোগাযোগ করে এর সত্যতা পাওয়া যায়। প্রতিজনে ২০০০টাকা করে নগদ অর্থ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

প্রকৌশলী সুভাষ চৌধুরী এর চাকুরীজীবনে যথেষ্ট পরিমাণ সফলতাও রয়েছে। উনি ৩ কন্যা সন্তানের জনক।পারিবারিকভাবে উনি সুখী বলে জানিয়েছেন।ওনার এই মহানুভবতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, তিনি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান ছিলেন।তাই ‘মধ্যবিত্ত’ শব্দটি হাড়ে হাড়ে অনুভব করেছেন তিনি। এই কারণে এদের সহোযোগিতায় এগিয়ে এসেছেন।