॥ জিয়াউল হক রাসেল ॥

বাংলাদেশের ইঞ্জিনিয়ার নির্মাণের কারিগর বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।

১৯৬০সালে এটির নির্মান কাজ শুরু হয়। তৎকালীন পাকিস্তান এবং সুইডিশ সরকারের উদ্দ্যেগে সুইডিশ-পাকিস্তান ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি নামে প্রতিষ্টানটি প্রতিষ্টিত হয়।

পরে ১৯৭০ সালে সুইডিশ সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে বাংলাদেশ সরকার এর নাম দেন ‘বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট’। এটি একটি রাজনৈতিক মুক্ত প্রতিষ্ঠান। সারাদেশে এর অনেক সুনাম ও খ্যাতি রয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্যে রাঙামাটি জেলায় একটি মাত্র সরকারি পলিটেকনিক রয়েছে। ৪৯টি পুরাতন সরকারি পলিটেকনিক এর মধ্যে বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট একটি যা পার্বত্য চট্টগ্রামে রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই হ্রদের তিরে অবস্থিত।

বর্তমানে এই ইনস্টিটিউট এর প্রিন্সিপাল হলেন, প্রাক্তন ছাত্র আব্দুল মতিন হাওলার (সিভিল উড)। মেকানিক্যাল ডিপার্টমেন্ট হেড বিমল কান্তি চৌধুরী। প্রাক্তন ছাত্র মেকানিক্যাল ডিপার্টমেন্ট।

ইলেক্টিক্যাল ডিপার্টমেন্ট হেড- সুজিত কুমার। প্রাক্তন ছাত্র ইলেক্টিক্যাল ডিপার্টমেন্ট

অটোমোবাইল ডিপার্টমেন্ট হেড-সেলিম জোয়ার্দার। কম্পিউটার ডিপার্টমেন্ট হেড প্রাক্তন প্রধান ছাত্রবাস সুপার তারেকুল ইসলাম। কন্সট্রাকশন ডিপার্টমেন্ট হেড বতমান হোস্টেল সুপার -মোশারফ হোসেন

বর্তমানে এই ইনস্টিটিউটটে “জাহাঙ্গীর ছাত্রাবাস” ও “সুইডিশ ছাত্রাবাস” নামে দুইটি ছাত্রাবাস রয়েছে। এখানে মাত্র ২৯৬ জনের ছাত্রের আসন ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে ইলেকট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল, অটোমোবাইল, সিভিল (উড স্পেশালাইজেশন), কন্সট্রাকশন ও কম্পিউটার বিভাগে চার বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার ব্যবস্থা আছে।

বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ড যথাক্রমে প্রশাসনিক, একাডেমিক ও ভর্তির কাযক্রমসহ সকল বিষয়গুলো পরিচালনা করে।