উপজেলা প্রতিনিধি । হিলরিপোর্ট

কাপ্তাই: রাঙামাটির জেলার ত্রান বিতরণ কার্যক্রমের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজার) নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী বলেন, একাত্ববোধ এবং সচেতনতায় পারবে করুনামুক্তি। তাই সকলে সচেতন হলে রাঙামাটি জেলা থাকবে করোনামুক্ত।

তিনি আরও বলেন, যে চিকিৎসকরা চিকিৎসা দিচ্ছেন না, তাদেরকে বুঝিয়ে কাজে আনতে হবে। এই জেলার যেসকল অধীবাসী চট্রগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় পোশাক শ্রমিক হিসাবে কাজ করছেন, তাদের তালিকা পেলে স্ব-স্ব এলাকায় ত্রাণ পেতে পারে সেই ব্যাপারে বিভাগীয় কমিশনারের সাথে সমন্বয় করবো।

তিনি জানান, ডাক্তার নার্স হচ্ছেন করোনার যোদ্ধা। তাই তাদেরকে সুরক্ষা রাখার উপর তিনি জোর দিতে হবে। এই সংকটকালীন মুহুর্তে উপজেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতকল্পে সেনাবাহিনী, পুলিশ সহ অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনী রাতদিন পরিশ্রম করছেন তাদের কাছে কৃতজ্ঞা প্রকাশ করেন।

এছাড়া কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতাল এর সকল চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্য কর্মীদের ধন্যবাদ জানান, জনগনকে নিরলস সেবা প্রদান করার জন্য।

শুক্রবার(২৪ এপ্রিল) বিকেল ৪ টায় কাপ্তাই উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ প্রতিরোধ, স্বাস্থ্য ব্যবস্হাপনা এবং ত্রাণ কার্যক্রম সহ আনুষঙ্গিক বিষয়ে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, চিকিৎসক, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের নিয়ে সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহমেদ রাসেল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় কাপ্তাই জোনের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ তৌহিদ উজ্জামান, কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মফিজুল হক , কাপ্তাই সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ জুনায়েত কাউছার , কাপ্তাই উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি অংসুইছাইন চৌধুরী, কাপ্তাই স্বাস্থ্য বিভাগের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মোঃ মাসুদ আহমেদ চৌধুরী, চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতাল এর পরিচালক ডা: প্রবীর খিয়াং, কাপ্তাই থানার ওসি নাসির উদ্দীন, চন্দ্রঘোনা থানার ওসি আশরাফ উদ্দিন, ১ নং চন্দ্রঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম বেবীসহ সরকারি কর্মকর্তা এবং ইউপি চেয়ারম্যানগণ উপস্থিত ছিলেন।