॥ চ.বি প্রতিনিধি ॥

বাংলাদেশের তৃতীয় ও আয়তনে দিক থেকে দেশের সর্ববৃহৎ বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ পাহাড়,মনোরম পরিবেশ নজর কেড়ে নেবে সবার।

বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭টি অনুষদে রয়েছে ৫৪টি বিভাগ ও ৬টি ইনস্টিটিউট। প্রায় ২২হাজার শিক্ষার্থীর এবং ৬৮৭ জন শিক্ষকের প্রাণ কেন্দ্র এই বিশ্ববিদ্যালয়।

পার্বত্য চট্টগ্রামের সবচেয়ে কাছের এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ৭০০ অধিক পাহাড়ি শিক্ষার্থী পড়া-শুনা করছে। পাহাড় থেকে পড়তে আসা শিক্ষার্থীরা রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং শিক্ষার মান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমে।

এইসব সংগঠনের মধ্যে রয়েছে সিইউডিএস, প্রথম আলো বন্ধুসভা,অঙ্গনসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন। এইসব সংগঠনের সাথে যুক্ত আছে এসব শিক্ষার্থীরা।

পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নয়ন সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রথম আলো বন্ধুসভার কার্যকরী সদস্য লিশন চাকমা বলেন- প্রত্যন্ত এলাকা থেকে উঠে এসে বিশ্ববিদ্যালয়ের মত বড় পরিসরে পড়া-শুনা করছি ভেবে সত্যি নিজেকে নিয়ে গর্ববোধ করি।

এখানে এসে যেমন অনেক কিছু শিখতে পারছি, তেমনি কাজ করতে পারছি বিভিন্ন শিক্ষামূলক সংগঠনের সাথে নিজেদের সাথে জড়িয়ে।এছাড়াও ক্যারিয়ার গঠনে এইসব সংগঠন অন্যতম প্লাটফর্ম হিসেবে মনে করেন তিনি।

একসময় দেশের প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৮৬ সালে হিল লিটারেচার ফোমার গঠন, ১৯৮৯ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাএ পরিষদ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পাহাড়ি শিক্ষার্থীরা।

১৯৭৬ সালে মনট্রিলে আন্তজার্তিক অলম্পিকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী পার্বত্য চট্টগ্রামের কিংবদন্তী চাকমা ব্যান্ড মিউজিকের স্রষ্টা কুমার সুমিত রায় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গর্ব।