স্টাফ রিপোর্টার । হিলরিপোর্ট

রাঙামাটি:  রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান  অংসুই প্রু চৌধুরীর বড় ভাই ঊষা প্রু চৌধুুরী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। রোববার (৩০মে) সকালে চট্টগ্রামের ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন  অবস্থায় তিনি মারা যান। করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, রাঙামাটি জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য হাজী মুছা মাতব্বর এবং তার মেয়ে।

রাঙামাটি সিভিল সার্জন অফিসের করোনা বিষয়ক ফোকাল পারসন ডা. মোস্তফা কামাল বলেন, সর্বশেষ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১০হাজার ৬৬৬জনের। এর মধ্যে- পজিটিভ রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৫২৯জন এবং নেগেটিভ সংখ্যা নয় হাজার ১৩৩জন। গত বছর জেলায় করোনা আক্রান্ত  হয়ে মারা গেছেন, ১৬জন এবং চলতি বছরে মারা গেছেন-০২জন। সর্বমোট  মারা গেছেন ১৮জন।

তিনি আরও বলেন, জেলায় এখন পর্যন্ত ৩২ হাজার ৬০২ জন করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন, যাদের মধ্যে ১৮ হাজার ৮৭১ জন দ্বিতীয় ডোজ নিতে পেরেছেন। শেষ হয়ে যাওয়ায় টিকা প্রদান কার্যক্রম গত ১৩ মে থেকে বন্ধ রয়েছে।

সিভিল সার্জন ডা: বিপাশ খীসা বলেন, করোনা থেকে বাঁচতে হলে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। ঘরের বাইরে গেলে মাস্ক পরিধান করতে হবে অবশ্যই। বজায় রাখতে হবে সামাজিক ও শারীরীক দুরুত্ব। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে যাওয়া যাবে না।
জেলায় এতদিন করোনা রোগীর সংখ্যা না বাড়লেও হঠাৎ বাড়ার কারণ এমন প্রশ্নে তিনি আরও বলেন, এইবারের ঈদে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় চাকরী করা বা বসবাসকারীরা ঈদ করতে নিজ জেলা রাঙামাটি আসে। যে কারণে তাদের মধ্যে কেউ কেউ করোনায় আক্রান্ত ছিলো। তাদের থেকে এ রোগ চারদিক ছড়িয়ে পড়েছে। এইজন্য সাবধান থাকার পাশাপাশি সচেতন থাকার আহ্বান জানান সিভিল সার্জন।

সিভিল সার্জন জানান, আমরা করোনার সংক্রমণ রোধ করতে যেখানে করোনার রোগীর সংখ্যা পাওয়া যাচ্ছে সেখানে তথা সেই বাড়িকে লকডাউন করে দেওয়া হচ্ছে। যাতে আক্রান্ত ব্যক্তির মাধ্যমে আর নতুন কেউ আক্রান্ত না হন।