॥ মঈন উদ্দীন বাপ্পী ॥

করোনা মোকাবেলায় বিশ্ববাসীসহ পুরো দেশ যখন জনসচেতনতায় সোচ্ছার তখনি রাঙামাটিতে খোলা রাখা কিছু দোকান, হাট-বাজারে সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করতে এঁকে দেওয়া হচ্ছে গোল চিহ্ন। গত কয়েকদিন ধরে রাঙামাটি শহরে এমন কিছু ব্যতিক্রমী কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

আর এমন একটি সংগঠনের নাম ‘স্বপ্ন বুনন’। এই সংগঠনটির কর্মীরা সকাল-দুপুর-বিকেল করোনা সচেতনতা বৃদ্ধি করতে দোকান-পাট, হাট-বাজার, ফার্মেসী সবখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে এঁকে দিচ্ছেন গোলা চিহ্ন। প্রতিটি গোলা চিহ্নের দূরত্ব প্রায় তিন ফুটের মতো।

শুক্রবার (২৭মার্চ) দুপুরে সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, ক্রেতারা এসব গোল চিহ্নে দাঁড়িয়ে পন্য সামগ্রী ক্রয় করছেন। তবে দারুণ বিষয় হলো- তাদের মধ্যে বিরক্তের নিম্ন পরিমাণ ছাপ নেই। তারা এ ধরণের কাজে মহা খুশি।

সংগঠনটির সভাপতি নূর তালুকদার মুন্না শুক্রবার (২৭মার্চ) বলেন, বিশ্ববাসী করোনায় নাকাল। মানুষ এখন করোনা আতঙ্কে ভুগছে। আর এ ভাইরাসটি ছোঁয়াচে। তাই দূরত্ব বজায় রাখা ভাল।

তিনি আরও বলেন, আমরা গত কয়েকদিন ধরে লক্ষ করলাম, দোকান-পাট, হাট-বাজার এবং ফার্মেসীগুলোতে প্রচুর মানুষের সমাগম ঘটে। সেখানে দূরত্ব বজায় থাকছে না। তাই নিজের পরিকল্পনার কথা সংগঠনের সদস্যদের সাথে আলোচনা করে বৃহস্পতিবার থেকে কর্মীদের নিজেদের খরচে কাজে নেমে পড়ি। আমাদের এ কার্যক্রম শুধু শহরের মধ্যে আটকে না রেখে উপজেলা শহরগুলোতে পৌছে দেওয়ার জন্য কাজ করছি বলে যোগ করেন সংগঠনটির নেতা।

এদিকে রাঙামাটিতে প্রায় দেড় শতাধিক মানুষ হোমকোয়ারেন্টিনে রয়েছে। পুরো জেলায় এ রোগের প্রাদুর্ভাব থেকে বাঁচাতে প্রশাসন, সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনরা কাজ করে যাচ্ছেন।