॥ কাপ্তাই প্রতিনিধি ॥

 রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় কর্ণফুলী নদীতে বোটডুবির ঘটনায় দেবলীনা দে (১০) নামের এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল। শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের কয়লার ডিপো এলাকার নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তবে এ ঘটনায় এখনো টুম্পা মজুমদার (৩০) এবং তার শিশু পুত্র বিজয় মজুমদার (০৫) এখনো নিখোঁজ রয়েছে।

কাপ্তাই উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে চট্টগ্রামের নন্দনকানন এলাকার রাধামাধব মন্দির থেকে প্রায় ১২৭ জনের একদল ইসকন ধর্মালম্বী রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় বিভিন্ন মন্দির ভ্রমনে আসে। এরপর দলটি উপজেলার শীলছড়ি মন্দির পরিদর্শনের জন্য তিনটি বোট ভাড়া করে মন্দিরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এর মধ্যে ২টি বোট যথাযথ স্থানে পৌছলে হঠাৎ করে একটি বোট উল্টে গেলে বোটে থাকা ৪৭জন যাত্রী নদীতে ডুবে যায়। ডুবে যাওয়াদের মধ্যে অনেকে সাতার কেটে উপরে উঠতে পারলেও মা-ছেলেসহ তিনজন নিখোঁজ হয়েছে।

নিখোঁজদের মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাদের উদ্ধারে কাপ্তাই নৌবাহিনী এবং ফায়ার সার্ভিস এর ডুবুরী দলের সদস্যরা এখনো উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে বলে সূত্রটি নিশ্চিত করেছে।

চন্দ্রঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী বেবি বলেন, কাপ্তাই হ্রদে অথবা কর্ণফুলী নদীতে ভ্রমণে আসা যাত্রীরা দু’টি নৌকা একত্রিত করে অবাধে হৈহুল্লোড় করায় বরাবরই বাড়ছে নিহতের ঘটনা। প্রশাসন যদি এই বিষয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ঝুঁকিপূর্ণ বোটগুলোকে আইনের আওতায় আনে তবে কমে আসবে হতাহতের ঘটনা।