মঈন উদ্দীন বাপ্পী । হিলরিপোর্ট

রাঙামাটি: বৈশ্বিক করোনা ভাইরাসের প্রভাবে সারা বিশ্বের মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিয়ে দিন কাটাচ্ছে । ভুগান্তি পৌহাচ্ছে বাংলাদেশের মানুষও। সমতল থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম করোনার নিস্তার থেকে বাঁচতে মানুষ স্বেচ্ছায় ঘরবন্দি হয়েছে।

আর এসব কর্মহীন হত-দরিদ্রদের মুখে আহার তুলে দিচ্ছেন সমাজের বিভিন্ন মানবিক সামাজিক সংগঠন। এর মধ্যে পাহাড়ি জেলা রাঙামাটির সামাজিক সংগঠন আব্দুল বারী মাতব্বর ফাউন্ডেশনও এ মহতি উদ্যোগে নিজেকে সামিল করেছে। সংগঠনটি সমাজের দুস্থ,অসহায় মানুষ খুঁজে খুঁজে আহার তুলে দিচ্ছে।

সংস্থাটির চেয়ারম্যানের ভূমিকা পালন করছেন, রাঙামাটি জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য হাজী মুছা মাতব্বর এর সহধর্মীনি হাজী শামীম আক্তার।

আর ফাউন্ডেশনটির স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে মহতি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন, ছাত্রলীগ নেতা সুলতান মাহমুদ বাপ্পা, মিসকাতুর রহমান, রূপম দাশ, নুর আলমসহ আরও কয়েক ঝাঁক তরুণ। এসব উদ্যমী তরুণরা দিন-রাত বিরামহীন পদচারণায় স্বেচ্চাসেবক হিসেবে হত-দরিদ্র মানুষরে মুখে আহার তুলে দিতে অদম্য প্রেরণায় কাজ করছেন।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়-ফাউন্ডেশনটির উদ্যোগে রাঙামাটি শহরের পৌর এলাকার ৯টি ওয়ার্ডে বিভিন্ন হত-দরিদ্র প্রায় এক হাজার দুইশত মানুষকে উপহার সামগ্রী দিয়ে মুখে হাসি ফুঁটানো হয়েছে। নিজেদের সামর্থ ও সাধ্য অনুযায়ী এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। চেষ্টা চলছে অসহায় মানুষদের ক্ষুধার্ত না রাখা।

ফাউন্ডেশনটির অন্যতম উপদেষ্টা, রাঙামাটি জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য হাজী মুছা মাতব্বর বলেন, কোন কৃতিত্ব নেওয়ার জন্য আমরা এই কার্যক্রম পরিচালনা করছি না। অসহায় মানুষদের কথা ভেবে নিজেদের বিবেকের জায়গা থেকে সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে আমরা এ কার্যক্রম পরিচালনা করছি। কোন কৃতিত্ব যদি নিতে চাই তাহলে মহাল আল্লাহর কাছ থেকে চাইবো।

মুছা আরও বলেন, এ পর্যন্ত গত তিনদিনে পুরো শহরের প্রায় ১২০০মানুষের মাঝে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। যদি সাধ্য থাকে তাহলে ভবিষ্যতে এ কর্মকান্ড অব্যাহত রাখা হবে।