॥ খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি ॥

খাগড়াছড়ির জেলা আওয়ামীলীগের ত্রিবার্ষিক কাউন্সিলে সদর ও পৌর আওয়ামীলীগের ৪০জন সদস্যকে কাউন্সিলর না করা ও বিতর্কিত বিএনপি থেকে আওয়ামীলীগে যোগদানকারী ৬জনকে কাউন্সিলর করার প্রতিবাদ জানিয়ে শনিবার দুপুরে জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা ও পৌর আওয়ামীলীগের একাংশ।

শনিবার সকাল ১১ টায় খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে পাঠ করেন পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ফরিদ উদ্দিন।

সংবাদ সম্মেলনে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নুরনবী, ৩ নং পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি মোঃ মাহবুব আলমসহ খাগড়াছড়ি সদর ও পৌর কমিটির একাংশ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগে বলা হয়, কাউন্সিলর হিসেবে বিতর্কিতরা হলেন, একসময়ের ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা মো: আলী, বর্তমান উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সজল কান্তি দাশ, আলোক প্রদীপ ত্রিপুরা (বিপণ), পার্থ ত্রিপুরা (জুয়েল), নব্য আওয়মীলীগে যোগদানকরী বিতর্কিত সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো: শানে আলম রয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, জেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা ও পৌর আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদদিয়ে নব্য আওয়ামীলীগ ও বিএনপি লোকদিয়ে মনগড়াভাবে কাউন্সিলরের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। যারা আওয়ামীলীগের কোন কমিটিতে ছিলো না এবং সংগঠনের কোন

কমিটিতে পদ পদবীতে নেই, এমন লোকদেরও কাউন্সিলর করা হয়েছে। তারা অভিযোগ করেন,যুবলীগ ছাত্রলীগের নেতারা কিভাবে পৌর ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর হয়। সংবাদ সম্মেলনে তারা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দলীয় প্রধানের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, এমন কর্মকান্ডে সংগঠনকে নিয়ে চিনিমিনি খেলার ফলে সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়ছে। মনগড়া একপেশী রাজনীতির অংশ হিসেবে নিজেদের দলকে ভারি করতে এমন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয় জেলা কমিটির বিরুদ্ধে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু চৌধুরী বলেন, গঠনতন্ত্র মেনে জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনের কাউন্সিলরদের তালিকা তৈরী করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ সঠিক নয়।