এস চৌধুরী । হিলরিপোর্ট

কাপ্তাই: রাঙামাটির সবচেয়ে প্রাচীন উপজেলাটির নাম কাপ্তাই। জেলা সদরের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থাও ভাল। করোনার প্রভাব এই উপজেলাকে বেশ ভুগাচ্ছে। আক্রান্ত কোন রােগীর সন্ধান পাওয়া না গেলেও পুরো উপজেলায় অঘোষিত লক ডাউন চলছে।

যে কারণে অফিস, পরিবহন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সবকিছু বন্ধ রয়েছে। তবে জনগণের জন্য বিদ্যুৎ সেবাটি খুবুই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিদ্যুৎ ছাড়া এক মূহুর্ত ঠিকে থাকা দুষ্কার। আর সরকারি এই প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা সকল ঝুঁকি উপেক্ষা করে পাহাড়, নদী পথ মাড়িয়ে দিন-রাত বিদ্যুৎ সেবা দিয়ে যাচ্ছে উপজেলাবাসীকে।

কিন্তু জনগণকে এই সেবা দিতে যে পরিমাণে খরচ হয় সেই খরচ তারা তাদের প্রতিষ্ঠান থেকে পাচ্ছে না। আর খরচ না পেলে তাদের পক্ষে এই সেবা প্রদান করা কঠিন বলে কর্মচারীরা জানান। যে কারণে তাদের সেবা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে স্থানীয় জনগণকে চরম দুর্ভোগে পড়তে হবে বলে কর্মচারীরা যোগ করেন। এজন্য জনগণের সেবা অক্ষুন্ন রাখতে কাপ্তাই আঞ্চলিক বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তাদের উদ্যােগ নিতে আহ্বান জানান তারা।

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, করোনার কারণে কাপ্তাই আঞ্চলিক বিদ্যুৎ অফিসের কর্মচারীরা অফিস করছেন না। যে কারণে সেবা প্রদানকরা কর্মচারীরা তাদের খরচ করার টাকা উত্তোলন করতে পারছেন না।

কাপ্তাই আঞ্চলিক বিদ্যুৎ অফিসের আবাসিক প্রকৌশলী সুভাস চৌধুরী বলেন, বিদ্যুৎ লাইন মেরামত করতে যে পরিমাণ খরচ ব্যয় হয় আঞ্চলিক অফিসের হিসাব শাখার কর্মকর্তারা অফিস না করার কারণে এসব খরচের অর্থ পরিশোধ করা যাচ্ছে না।

কাপ্তাই আঞ্চলিক অফিসের উপ পরিচালক মোঃ হারুন প্রতিবেদকের মুঠোফোনে জানান, চট্টগ্রামসহ অন্যান্য অফিসের কোন কর্মকর্তারা ঠিক মতো অফিস না করার কারণে এমন ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। দেখি আমরা এ সমস্যা কিভাবে দূর করতে পারি।