উপজেলা প্রতিনিধি । হিলরিপোর্ট

কাপ্তাই: অপরুপ সৌন্দয্যের লীলাভুমি রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলা। কাপ্তাইয়ের প্রতিটি স্থানেই রয়েছে নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক দৃশ্য। সবুজ পাহাড়, লেক, কর্ণফুলী নদী সহ আঁকা-বাঁকা পাহাড়ি পথ যে কোন মানুষের মনকে আকর্ষণ করে সহজেই।

বাড়তি আকর্ষণ ও ভ্রমণ পিপাসুদের বিনোদন প্রদানের প্রয়াসে কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন এলাকায় কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কের গাঁ ঘেষে নির্মিত হয়েছে আকর্ষণীয় বিভিন্ন পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্র। ’পাহাড়, সবুজ বৃক্ষ, কর্ণফুলী নদী সহ বেশ কয়েকটি আকর্ষণীয় স্পটগুলোতে এইসময় হাজার হাজার ভ্রমন পিপাসুদের আগমন ঘটলেও করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে দীর্ঘ দুইমাসের অধিক পর্যটক শূণ্য হয়ে বিনোদন স্পট গুলো প্রাণহীন হয়ে পড়ে আছে। শুধু তাই নয় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার ফলে পর্যটন স্পট মালিকদের গুনতে হচ্ছে কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষতি।

কাপ্তাই উপজেলায় ছোট বড় মিলে ৮ টি পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে। তৎমধ্যে বিজিবি পরিচালিত ওয়াগ্গা প্যানোরোমা জুম রেস্তোরা, বনশ্রী পর্যটন কেন্দ্র, বন বিভাগের প্রশান্তি, কাপ্তাই সেরাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত লেকভিউ ও লেকশোর এবং কাপ্তাই নৌ বাহিনী পরিচালিত লেক প্যারাডাইস এ সারাবছরে পর্যটকদের আনাগোনায় মুখরিত থাকে। এখন সরকারি নির্দেশনায় অফিস আদালত, পরিবহন সব কিছু খুললেও বন্ধ থাকছে পর্যটন কেন্দ্রগলো।

কাপ্তাই বালুচর প্রশান্তি পিকনিক স্পট এর পরিচালক নাছির উদ্দিন জানান, ২ মাসের অধিক বন্ধ হয়ে আছে কাপ্তাইয়ের সব বিনোদন কেন্দ্র। ফলে চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি আমরা।

বনশ্রী পর্যটন কমপ্লেক্সের ব্যবস্হাপনা পরিচালক প্রকৌশলী রুবাইয়াৎ আক্তার চৌধুরী জানান, পর্যটক শূণ্য কাপ্তাই এখন অনেকটা বিরামভূমি। ফলে দিন দিন ক্ষতির মাত্রা বাড়ছে আমাদের। বিশেষ করে বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত পর্যটন কেন্দ্রগলো অবস্হা খুবই খারাপ, তাই এই পর্যটন শিল্পকে বাঁচাতে এখন দরকার সরকারি প্রনোদনা।