॥ কাপ্তাই প্রতিনিধি ॥

কাপ্তাই উপজেলা সদর মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. আবু বক্কর সিদ্দিক কতৃর্ক উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসের পরিসংখ্যান সহকারী মো. ওয়ালি উল্ল্যাহ লাঞ্চিত এবং নির্যাতনের হওয়ার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকালে কাপ্তাই উপজেলা সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের ব্যানারে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারীরা কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছেন।

এরপর কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিলম্বে অভিযুক্ত ইমামকে চাকরি হতে বরকাস্ত এবং তাঁর শাস্তি দাবি করে স্বারকলিপি প্রদান করেন।

এসময় কাপ্তাই উপজেলাসরকারি ৩য় শ্রেণী কর্মচারী কমিটির সভাপতি উষাতং মারমা, সাধারণ সম্পাদক ও সরকারি কর্মচারি সমন্বয় কমিটির সদস্য সচিব মো. আব্দুর নুর, ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী কমিটির সভাপতি ও সরকারি কর্মচারি সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর সহ উপজেলা সদরের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মচারীরা এই মানববন্ধনে অংশ নেন।

উক্ত ঘটনায় লাঞ্চিত ওয়ালিউল্ল্যাহ এই প্রতিবেদককে জানান, গত ২৯ এপ্রিল বিকেলে তিনি উপজেলা সদরে একটি চায়ের দোকানে বসে নাস্তা করছিলেনন। সেই সময় দোকানে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইমামের সাথে তার কথা কাটাকাটি হয়, এক পর্যায়ে ইমাম আবু বকর সিদ্দিক তাকে লাঞ্চিত করে এবং শারীরিকভাবে আঘাত করে। এই বিষয়ে তিনি সমিতির মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকট ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে লিখিত আবেদন জানান।

এদিকে, এই বিষয়ে বিদায়ী নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুুল আলম উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাদির আহমেদ চৌধুরীকে প্রধান করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রধান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয় নাই।

 অভিযুক্ত ইমাম মাওলানা আবু বক্কর সিদ্দিক এই প্রতিবেদককে জানান, ঘটনার দিন তিনি ঐ চায়ের দোকানে বসা ছিলো। উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসের অফিস সহকারী ওয়ালিউল্ল্যাহ সামান্য বিষয়ে তর্কাতর্কি করে প্রথমে তাকে ছাতা দিয়ে আঘাত করেন, পরবর্তীতে তিনি সামান্য আঘাত করেন।

তিনি বলেন, এটা একটি ব্যক্তি বিশেষ ঘটনা, যা এখন সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের মাধ্যমে ভিন্ন খাতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং তাকে মসজিদ হতে বের করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সঠিক বিচার দাবি করেন।