॥ মঈন উদ্দীন বাপ্পী ॥

রাঙামাটির বরকল উপজেলায় কাপ্তাই হ্রদে অবৈধ জাঁক অপসারণে ১৬ ব্যাটালিয়ন আনসার সদ্যরা সাড়াঁশি অভিযান পরিচালনা করেছে। শনিবার (১০নভেম্বর) বিকেলে এ অভিযান পরিচালনা করা হলেও জাঁকের কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জমাদি রোববার (১১নভেম্বর) দুপুরে মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন রাঙামাটি শাখায় হস্তান্তর করা হয়।

এসময় ১৮শো মিটির জাল, ১০টি ইঞ্জিন চালিত নৌকা, তিনটি ইঞ্জিন ছাড়াসহ ১৩টি নৌকা এবং অক্সিজেন সিলিন্ডার জব্দ করা হয়। যার বর্তমান বাজার মূল্য ১৫লাখ টাকা।

বরকল-হাজাছড়া ১৬আনসার ব্যাটালিয়ন সূত্রে জানানো হয়- বরকল উপজেলার সুবলং ইউনিয়নের বিল্লাছড়া ১নং নালার মুখ এলাকায় একদল অবৈধ শিকারী দীর্ঘদিন ধরে কাপ্তাই হ্রদে জাঁক স্থাপনের মাধ্যমে মাছ আহরণ করছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে জাঁক অপসারণে ২৩জনের একটি আনসার সদস্য দল ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় জাঁকের কাজে ব্যবহৃত ১৮শো মিটির জাল, ১০টি ইঞ্জিন চালিত নৌকা, তিনটি ইঞ্জিন ছাড়া নৌকা এবং অক্সিজেন সিলিন্ডার জব্দ করা হয়। যার বর্তমান বাজার মূল্য ১৫লাখ টাকা।

বরকল-হাজাছড়া ১৬আনসার ব্যাটালিয়ন’র কোয়াটার মাস্টার সিরাজুল আমীন হিল রিপোর্টকে জানান- কাপ্তাই হ্রদে জাঁক দিয়ে মাছ ধরা অবৈধ জেনে বরকল-হাজাছড়া ১৬আনসার ব্যাটালিয়ন’র কমান্ডিং অফিসার (অধিনায়ক) মুজিবুল হক’র নিদের্শে জাঁক অপসারণে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে জাঁকের কাজে ব্যবহৃত অনেক সরঞ্জমাদি জব্দ করা হয়েছে। তবে অভিযানে আনসার সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে অবৈধ মৎস্য শিকারী সদস্যরা পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন রাঙামাটি শাখা ব্যবস্থাপক কমান্ডার (নৌবাহিনী) মো. আসাদুজ্জামান হিল রিপোর্টকে জানান- আনসার সদস্য কর্তৃক বরকল উপজেলায় জাঁকের বিরুদ্ধে সাড়াঁশি অভিযান পরিচালনা করে। এজন্য ১৬আনসার কর্মকর্তা-সৈনিকদের ধন্যবাদ জানায়।

কমান্ডার আসাদ আরও জানান- কাপ্তাই হ্রদের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় জেলা প্রশাসন, বিজিবি, স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় জনগণসহ প্রশাসনের সকল স্তরের সহযোগিতা পাচ্ছি। জাঁকের কাজে ব্যবহৃত জব্দ সরঞ্জমাদি মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে কমান্ডার যোগ করেন।