মঈন উদ্দীন বাপ্পী । হিলরিপোর্ট

রাঙামাটি: ছাত্রলীগ এক গৌরবজ্জল ইতিহাসের নাম। সংগঠনটিকে জন্মলগ্ন থেকে নানা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ঠিকে থাকতে হয়েছে। এখনো ঠিকে আছে আলােচনা-সমালোচনার মধ্যে দিয়ে। তারপরও দমিয়ে যাওয়ার জন্য তার জন্ম হয়নি। বঙ্গবন্ধু এবং ছাত্রলীগ এক অবিসংবাদিত নাম। নানান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বাংলার ইতিহাসের সাথে জড়িয়ে ফেলেছেন নিজেদের।

ভাষা আন্দোলন, বাংলার স্বাধীনতা, স্বাধীনতা পরবর্তী স্বৈরশাসন পতন আন্দালনসহ দেশের ক্রান্তিকালে নানা আন্দালনে সামনের থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে সংগঠনটি। তাই মানুষ সংগঠনটি থেকে আশা-প্রত্যাশা বেশি করে।

বর্তমান সময়ে দেশ এখন বৈশ্বিক করোনার ক্রান্তিকালের মধ্যে দিয়ে পার করছে। এইবারও বসে নেই ছাত্রলীগ। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ মনে করছে কৃষক ছাড়া বাংলা ঠিকবে না। কারণ কৃষির উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ নামক দেশটি ঠিকে আছে। দেশের এই দু:সময়ে কৃষকরা তাদের ধান গোলায় তুলতে কোন শ্রমিক পাচ্ছেন না। তাই যেমন অনুধাবন, তাদের তেমনি তরিৎ সিন্ধান্ত। তাই কৃষকদের পাক ধান ঘরে তুল দিতে সারাবাংলার ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দদের নির্দেশ প্রদান করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

আর সংগঠনটির দেশের তৃণমূল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ কেন্দ্রীয় সিন্ধান্ত বাস্তবায়নে কৃষকের পাশে দাঁড়িয়ে গেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় রাঙামাটি ছাত্রলীগও বসে নেই।

বুধবার সকালে লংগদু উপজেলায় কৃষকের ৩ একর জমির পাকাধান কেটে গোলায় তুলে দিলো ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের কর্মীরা শুধু ধান গোলায় তুলে দিয়ে ক্ষান্ত হয়নি
ধান মাড়ানোর কাজটিও করে দিচ্ছেন।

উপজেলার আঠারকছড়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের যাত্রামুড়া এলাকার বাসিন্দা কৃষক সুরুজ মিয়া বরেন, ছাত্রলীগের ছেলেরা আমার কঠিন কাজটি সহজ করে দিযেছে। করোনার কারণে গোলায় ধান তোলার জন্য কোন শ্রমিক পাচ্ছিলাম না। সেই দুশ্চিন্তা দূর করে দিলো ছাত্রলীগ। তাদের জন্য মন থেকে দোয়া করি তারা আরও ভাল কাজ করুক।

এদিকে মহতি কাজটিতে অংশ নেন-রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক নেছার উদ্দীন হৃদয়, লংগদু উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তৈয়ব আলী, সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান রাজু ও যুগ্ম সম্পাদক বাবলা দাশ, সাবেক লংগদু মডেল কলেজ ছাত্রলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সবুর সরকার, রাঙামাটি কলেজ ছাত্রলীগ এর ছাত্র নেতা নুরুল ইসলাম এবং আটারকছড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ন আহবায়ক রায়হান উদ্দিন রানা, জুয়েল রানা, মুস্তাফিজসহ প্রায় ২৫-৩০ জন নেতা-কর্মী।

সংগঠনটির উপজেলার নেতৃবৃন্দরা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সারা দিয়ে আমরা কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছি। শুধু তাই নয় দেশের যেকোন দুর্যোগ মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ কাজ করে যাবে বলে তারা জানান।