॥ খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি ॥

আমে মাছি পোকার আক্রমণরোধে ব্যাগিং পদ্ধতির ব্যবহার শীর্ষক মাঠ দিবস খাগড়াছড়িতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১০জুন) সকালে খাগড়াছড়ি পাহাড়ী কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের হলরুমে উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র শতাধিক কৃষাণ-কৃষাণীদের নিয়ে এ মাঠ দিবসের আয়োজন করে।

খাগড়াছড়ি পাহাড়ী কৃষি গবেষণ কেন্দ্রের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুন্সী রাশীদ আহমদের সভাপতিত্বে মাঠ দিবস ও কৃষক প্রশিক্ষনে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক মো: ইউসুফ মিঞা, উদ্যানতত্ত্ব গবেষনা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড: মো: শাহাদাত হোসেন, খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক সফর উদ্দিন,খাগড়াছড়ি সদও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: রিয়াজ উদ্দিনসহ অন্যান্যরা।

অনুষ্ঠানে বক্তাগন বলেন, আম বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ফল। পোকামাকড় বিশেষ করে মাছি পোকার আক্রমনে ৪০ থেকে ৬০ ভাগ আম খাওয়ার অযোগ্য হয়ে পড়ে।

পাহাড়ী অঞ্চলের মাছি পোকার আক্রমন সবছেয়ে বেশী। কৃষিকরা পোকামাকড় দমনে নির্বিচারে রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহার করে,যা স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাতœক হুমকী স্বরুপ। বাংলাদেশ কৃষি গবেষনা প্রতিষ্ঠান আইপিএমআইএল প্রকল্পের সহায়তায় মাছি পোকা দমনে পরিবেশ বান্ধব ব্যাগিং প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন।

আমে মাছি পোকাসহ অন্যান্য পোকামাকড়ের আক্রমণ শতভাগ রোধ করতে ব্যাগিং পদ্ধতি ব্যবহারের উপর গুরুত্বারোপ করে বক্তারা বলেন, ব্যাগিং পদ্ধতি ব্যবহারে রাসায়নিক কীটনাশক প্রয়োগ হ্রাস পাবে এবং ফল ব্যহিক আঘাত থেকে রক্ষা পাবে। বাংলাদেশে বিষমুক্ত ফল উৎপাদনের নতুন দিগন্তের সুচনা হবে।