॥ ঝুলন দত্ত, কাপ্তাই ॥

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে কাপ্তাই – রাংগুনিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা চন্দ্রঘোনা মিশন এলাকায় বহিরাগত প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে এলাকাবাসী। এছাড়া বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া এলাকার কাউকে ঘর থেকে বের না হবার পরামর্শ দিয়েছেন এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মিশন এলাকায় গিয়ে দেখা যায় এলাকার প্রবেশ মুখে এলাকাবাসী নিজেরাই ব্যারিকেড দিয়েছেন, নিজেরাই নিরাপদ দুরত্ব থেকে পাহারা দিচ্ছেন এবং প্রবেশমুখে আগত সকলকে হ্যাক্সাসল দিচ্ছেন।

মিশন এলাকায় বসবাসরত ১ নং চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আঞ্চলিক ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ এর সভাপতি কৃতি ফুটবলার বিপ্লব মারমা জানান, এই এলাকায় ঘনবসতিপূর্ণ, অনেকে বিকেলে এখানে ঘুরতে আসতো, তাই যে কেউ হতে এই রোগ সংক্রমণ হতে পারে বিধায় এলাকাবাসী নিজেরাই প্রবেশমুখে ব্যারিকেড দিয়ে মিশন আবাসিক এলাকায় বহিরাগত প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে এবং তারা প্রবেশমুখে নিরাপদ দুরত্ব থেকে পাহারা দিচ্ছে।

এলাকার চার্চের পাষ্টর স্টিফেন মিত্র, অথৈই মারমা, শিশির বাড়ৈ, মার্টিন খিয়াং, বাবলা খিয়াং ও মো: রিপন, গ্রাম পুলিশ শফিকুল ইসলাম রিটু ও মো: ইসমাইল এই প্রতিবেদককে জানান, করোরা ভাইরাস খুব সংক্রমণ রোগ, তাই এই এলাকায় বাহির হতে কেউ যেন প্রবেশ করতে না পারে তারা পালাক্রমে মিশন হাসপাতাল সংলগ্ন গেইটে পাহারা দিচ্ছেন।

চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতাল এর পরিচালক ডা: প্রবীর খিয়াং, বহিরাগত কাউকে এলাকায় প্রবেশ না করার জন্য অনুরোধ জানিয়ে বলেন, সকলে সচেতন হলে আমরা এই মহামারি রোগ সংক্রমণ হতে নিজেদের রক্ষা করতে পারি।

কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহমেদ রাসেল এই উদ্যোগের প্রশংসা করে জানান, এই এলাকায় চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতাল থাকার সুবাধে এখানে বিদেশী ডাক্তার থাকতে পারে বিধায় এটা ঝুঁকিপূর্ণ। তাই এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। কেউ যদি আইন অমান্য করে তাহলে কঠোর ব্যবস্হা নেওয়া হবে।

১ নং চন্দ্রঘোনা ইউপির ৯ নং ওয়ার্ড এর ইউপি সদস্য মো: মাইনুউদ্দিন জানান, এলাকাবাসীর এই উদ্যোগ প্রশংসনীয় এবং আমি নিজে এলাকায় থেকে এই বিষয়ে মনিটরিং করছি। তিনি বহিরাগত কাউকে এলাকায় প্রবেশ না করার অনুরোধ জানান।