স্টাফ রিপোর্টার । হিলরিপোর্ট

রাঙামাটি: স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অর্ধাঙ্গনী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯০তম জন্মবার্ষিকী বিনম্রচিত্তে পালন করলো রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগ। শনিবার (০৮আগষ্ট) সন্ধ্যায় জেলা শহরের কলেজ গেইট এলাকার একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন হোটেলে এই জন্মদিন পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন- জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সালাউদ্দীন সুমন। জেলা ছাত্রলীগের গণ-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হাসান মুরাদ এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন- জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হক বাবু, সমাজ সেবক চন্দ্রজিৎ দেওয়ান আনন।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- ৯নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতা নেতা মো. পারভেজ এবং রাকিবুল হাসান রকি।

বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে শ্রেষ্ঠ অর্জন স্বাধীনতা লাভ করে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর এসব লড়াই-সংগ্রাম-আন্দোলনের নেপথ্যের প্রেরণাদাত্রী ছিলেন ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। তিনি বঙ্গবন্ধুর সমগ্র রাজনৈতিক জীবন ছায়ার মতো অনুসরণ করে তার প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অফুরান প্রেরণার উৎস হয়ে ছিলেন।

বক্তারা আরও বলেন, বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ছয়-দফা ঘোষণার পর বঙ্গবন্ধু যখন বার বার পাকিস্তানি শাসকদের হাতে বন্দি জীবন-যাপন করছিলেন, তখন আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের কাছে ছুটে আসতেন। তিনি তাদের বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা পৌঁছে দিতেন এবং লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা যোগাতেন।

বিশেষ করে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় যখন বঙ্গবন্ধুর প্যারোলে মুক্তি নিয়ে কিছু কুচক্রী স্বাধীনতা সংগ্রামকে বিপন্ন করার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছিলো, তখন প্যারোলে মুক্তির বিপক্ষে বেগম মুজিবের দৃঢ়চেতা অবস্থান বাংলার মুক্তি সংগ্রামকে ত্বরান্বিত করেছিল। যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

বক্তারা জানান, ১৯৭৫সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সপরিবারে স্বাধীনতা বিরোধী দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে খুনিচক্রের বুলেটের আঘাতে নির্মমভাবে শহীদ হন বেগম মুজিব।