বিশেষ প্রতিনিধি, হিলরিপোর্ট

কাপ্তাই: সংস্কার ও মেরামতের অভাবে হাটহাজারীর ১২ নং চিকনদনডী,৩নং ওয়ার্ড চৌধুরী হাট দাতারাম সড়কের বেহাল অবস্থা।

সাধারণ মানুষ, স্কুল, কলেজ শিক্ষার্থীসহ উৎপাদিত কৃষি পণ্য বাজারজাত করণে ব্যবহিত হয় এই রাস্তাটি। বেশ কয়েক বছর ধরে ঝরাজির্ণ অবস্থায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে ভোক্তভোগীরা, সংস্কারে নজর নেই কর্তৃপক্ষের।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, চৌধুরীহাট হতে মদুনাঘাট পর্যন্ত যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি ১২ কিঃমি রাস্তাটির বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় গর্ত সৃষ্টি হয়ে বৃষ্টির পানি জমে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

কাদামাটির রাস্তা দিয়ে হাঁটাচলা করছেন লোকজন। তাছাড়া এই দুই রাস্তা দিয়ে স্থানীয় লোকজনসহ স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, হাসপাতাল, বাজার ও ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল যাত্রীরা চলাচল করে।

এসব গর্তের কারণে থ্রি-হুইলার জাতীয় যানবাহনগুলো প্রায়ই বিকল হয়ে পড়ে। রাস্তার এ দুরবস্থার কারণে শিক্ষার্থীসহ এলাকার বাসিন্দারা সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

এবিষয়ে উক্ত রাস্তায় যাতায়াতকারী ও ভাড়ায় চালিত মোটর টেক্সী সমিতির সভাপতি মোঃ নুরু মিয়া বলেন রাস্তার

বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় গর্ত সৃষ্টি হয়ে বৃষ্টির পানি জমে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রতিনিয়ত মোটরসাইকেলে যাতায়াতকারী যাত্রী ও ড্রাইভারের দূর্ভোগে পড়তে হয়। অনেক ক্ষেত্রেই মালবোঝাই ট্রাকের চাকা এসব গর্তে ডেবে গিয়ে রাস্তায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। ট্রাকচালক আবদুল মালেক বলেন, পুরো রাস্তাজুড়েই খানাখন্দ। গাড়ি চালাতে কি যে অসুবিধা তা বলে বোঝানো যাবে না।

এই সড়কে যাতায়াতকারী কৃষক মোঃ আব্দুল সালাম বলেন আমি প্রতিদিন উৎপাদিত কৃষি পণ্য বাজারজাত করার জন্য এই রাস্তায় চলাচল করি কিন্তু বর্তমানে রাস্তাটির বেহাল দশা হওয়ায় যাতায়াত খুবই ঝুঁকিপূর্ণ ও কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য (৩ নং ওয়ার্ড) লিটন দাশ বলেন চৌধুরী হাট থেকে মদুনাঘাট যাওয়ার রাস্তাটিতে আমি নিজেও যাতায়াত করি।রাস্তাটি বেশিরভাগ অংশই ছোট-বড় গর্ত ও খানা খন্দকে ঝড়াজীর্ণ হয়ে গেছে। রাস্তা খারাপের কারণে জনদুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তবে বরাদ্ধ না থাকায় সংস্কার করা সম্ভব হচ্ছে না।

ফতেয়াবাদ ইউপি চেয়ারম্যান হাসানুজ্জমান জানান চৌধুরীহাট হতে মদুনাঘাট রাস্তারই বেহাল দশা, চলাচলের অনুপযোগী হতে পড়েছে। কিন্তু উৎপাদিত কৃষিপণ্যের বাজারজাত, স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল ও প্রশাসনিক জরুরী কাজে ঝুঁকি নিয়েই মানুষকে চলাচল করতে হচ্ছে এই রাস্তা দুটি দিয়ে। রাস্তা দুটি সংস্কারের জন্য প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই রাস্তা সংস্কার করা হবে।