স্টাফ রিপোর্টার । হিলরিপোর্ট

রাঙামাটি: কামুকোছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকা এরশাদ চাকমা(৩৫) নামে একজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। তার সাথে আরো ১০ শ্রমিক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে ছিলেন। বুধবার( ২৯ এপ্রিল) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সিভিল সার্জন ডাক্তার নুপুর কান্তি দাশ।

সিভিল সার্জন ডাক্তার নুপুর কান্তি দাশ জানান, করোনা শনাক্ত হওয়া কামুকোছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে লকডাউন করা হয়েছে।

জানা যায়, গত ১৮ এপ্রিল নারায়নগঞ্জের আদমজি থেকে স্ত্রীসহ ১৭ এপ্রিল রওয়ানা দেয়। ১৮ এপ্রিল দীঘিনালা এসে পৌঁছে। পরে তাদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন হিসেবে কামাকোছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রেরণ করা হয়। এ বিদ্যালয়ের ভবনে আরো ১০ জন অবস্থান করছেন। এছাড়া এ বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী ভবনে ৪৫জন অবস্থান করছেন।

দীঘিনালা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. তনয় তালুকদার জানান, গত ২২ তারিখ নমুনা সংগ্রহ করেকরে চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটে অবস্থিত বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) পাঠানো হয়। অবশেষে ২৯ এপ্রিল তার পজেটিভ আসে।

ঘটনার পরপরই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ কাশেম, নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ উল্লাহ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. তনয় তালুকদার এবং দীঘিনালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) উত্তম চন্দ্র দেব প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন কেন্দ্র কামাকোছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছুটে যান।

এব্যাপারে করোনাভাইরাসে পজেটিভ ওই ব্যক্তি জানান, আমি নিজেকে পুরোপুরি সুস্থ মনে করছি। আমার হাঁচি কাশি বা জ্বর এ ধরনের কোন উপসর্গ নেই।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ উল্লাহ কামাকোছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে লকডাউন ঘোষণা করে বলেন, এখন থেকে পার্শ্ববর্তী কোন লোকজন বিদ্যালয়ে যেতে পারবে না। কোয়ারেন্টিন কেন্দ্রের কোনো লোকজন বাহিরে না যাওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন তিনি।