রাঙামাটি সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রোমানের ফেইসবুক থেকে হুবহু তুলে ধরা হলো-

পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন সড়কে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যখন সরাসরি নিয়োজিত থেকে কাজ করে, তখন কাজের মান ভালো হয়। আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠন গুলো সেনাবাহিনী কাজ করলে চাঁদা চাইতে পারত না।

সেনাসদস্যের সততার কারণে দুর্নীতি না হওয়ায় রাস্তায় ব্যবহৃত নির্মাণসামগ্রী ভালো মানের হয় কিন্তু সাধারণ ঠিকাদাররা যখন কাজ করে তখন আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠন গুলো চাঁদা দিয়ে যার সঙ্গে প্রকৌশলীদের দুর্নীতির কারণে খুবই নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করা হয়।

আমাদের রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কসহ তিন পার্বত্য জেলায় যোগাযোগের সড়ক রয়েছে রাঙ্গামাটির সাথে, সেই সব সড়ক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার জন্য কারা দায়ী তা খুঁজে বের করা দরকার প্রথমে? যেখানে এতগুলি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা রয়েছে সেখানে শুধু একজন নির্বাহী প্রকৌশলী রয়েছে রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ির দায়িত্বে সড়ক ও জনপথ বিভাগ, ভূমিধস হওয়ার পরে অদ্যবধি শুধু খুঁটি স্থাপন ছাড়া সড়কের উন্নয়ন এর আর কি কাজ হয়েছে তাও খতিয়ে দেখা উচিত, ভূমি ধসের পর সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা অভিজ্ঞ প্রকৌশলী দিয়ে ধসে যাওয়া অংশে কাজ করানো হলে হয়তো আজ এই ধরণের ঝুঁকির সৃষ্টি হত না, দুর্নীতি কে বাদ দিয়ে দেশের স্বার্থে কাজ করে রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়ক স্থায়ীভাবে আগামী আরও 10 /20 বছর কিছু হবে না ইনশা

আল্লাহ শুধু সদিচ্ছা দেশ প্রেম থাকতে হবে এবং দুর্নীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে এবং অভিজ্ঞ প্রকৌশলী দিয়ে এসব কাজ করাতে হবে বলে আমি মনে করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা রাঙামাটি জেলায় যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিশেষ দৃষ্টি সহ প্রচুর অর্থ বরাদ্দ দিলেও তা বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না একমাত্র দুর্নীতির কারণে,