॥ মঈন উদ্দীন বাপ্পী ॥

রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলায় প্রতিপক্ষের গুলিতে  ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক (ইউপিডিএফ বর্মা গ্রুফ) প্রধান তপন জ্যোতি চাকমা বর্মাসহ পাঁচজন নিহত এবং নয়জন গুরুতর আহত হয়েছে। শুক্রবার ( ৪মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক প্রধান তপন জ্যেতি চাকমা (৫২), ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক সমির্থিত যুব ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতা সুজন চাকমা (৩০), একই সংগঠনের খাগড়ছড়িস্থ মহালছড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি তনয় চাকমা (৩১), সেতু লাল চাকমা (৩৬) এবং মাইক্রোবাসের ড্রাইভার মো. সজিব (৩৫)।

নিহতদের মধ্যে সেতু লাল ও ড্রাইভার সজিবকে খাগড়াছড়ি জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক এর প্রধান তপন জ্যোতি চাকমা বর্মা তার লোকদের নিয়ে গাড়িতে করে জেএসএস সংস্কার এর সহ-সভাপতি ও নানিয়ারচর উপজেলার চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রাঙামাটিস্থ নানিয়ারচর উপজেলার বেতছড়ি এলাকায় পৌছালে  তাদের প্রতিপক্ষ নানিয়ারচর উপজেলার বেতছড়ি এলাকায় এ্যাম্বুস করে ব্রাশ ফায়ার করলে ঘটনাস্থলে তিনজন নিহত হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙামাটি পুলিশ সুপার আলমগীর কবির।

  • Facebook
  • Twitter
  • Print Friendly

আর খাগড়াছড়ি জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে দু’জন মারা গেছেন বলে সেখানকার পুলিশ নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে একই দিনে উপজেলার ইসলামপুর বড়াদম মৌজা এলাকায় প্রতিপক্ষের গুলিতে নয়জন গুরুতর আহত হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেছে।

আহতদের মধ্যে ছয়জনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন- দিগন্ত চাকমা (২৩), অর্চিন চাকমা (২৯), অর্জুন চাকমা (২৩), মিহির চাকমা (২২), জীবন্ত চাকমা (৩০) এবং শান্তি রঞ্জন চাকমা (২৫) । তাদের অধিকাংশ গুলিবিদ্ধ হন।