॥ মঈন উদ্দীন বাপ্পী ॥

রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলায় পর্যটকবাহী দু’টি বাস এবং দু’টি মাইক্রো বাসে হামলা চালিয়েছে একদল সন্ত্রাসী। শুক্রবার (১৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলার কেংড়াছড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে হানিফ পরিবহনের দু’টি বাস এবং দু’টি মাইক্রোবাস পর্যটকদের নিয়ে খাগড়াছড়ি থেকে রাঙামাটিতে আসার সময় নানিয়ারচর উপজেলার কেংড়াছড়ি এলাকায় পৌছলে ওই এলাকায় ওঁৎ পেতে ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপের সশস্ত্র নেতা অগ্রসর চাকমার নেতৃত্বে ৫-৬ জনের একটি দল পর্যটকবাহী গাড়িগুলোকে থামানোর নির্দেশ প্রদান করে। কিন্তু গাড়িগুলোর ড্রাইভাররা তাদের নির্দেশ অমান্য করে গাড়ি চালাতে থাকলে অগ্রসরসহ তার দল গাড়িগুলোতে লক্ষ্য করে ব্রাশ ফায়ার করতে থাকে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

এদিকে এই ঘটনার খবর পেয়ে নানিয়ারচর সেনা জোন থেকে একটি টহলদলকে ঘটনাস্থলে যাওয়ার সময় উপজেলার বগাছড়িস্থ বউ বাজারে পৌছালে গাড়িটি দূর্ঘটনায় কবলিত হয়। গভীর খাতে পড়ে গিয়ে গাড়িটির ভিতর থাকা ৮সেনা-আনসার সদস্য আহত হয়।

নানিয়ারচর জোন সূত্রে জানানো হয়-আহতদের মধ্যে তিন সৈনিকের অবস্থার অবনতি হলে তাদের প্রথমে হেলিকপ্টারযোগে চট্টগ্রাম সিএমএইচ পরে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। গুরুতর আহত তিন সেনা সদস্য হলো- সৈনিক মামুন, মোজাম্মেল এবং সাজু।
ঘটনার পর অন্যান্য সেনা সদস্যরা পর্যটকবাহী গাড়িগুলোকে ঘটনাস্থল থেকে নিরাপত্তা দিয়ে রাঙামাটি জেলা সদরের মানিকছড়ি পর্যন্ত পৌছে দেয়।

নানিয়ারচর থানার ভারপাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান- সন্ত্রাসীরা পর্যটকবাহী গাড়িতে গুলি চালালে ৪টি গুলি গাড়িতে লাগে। তবে কেউ হতাহত হয়নি।