॥ খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি ॥

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় জেএসএস সংস্কার’র কর্মী রনি ত্রিপুরা (৩০) হত্যার ঘটনায়উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সর্বোত্তম চাকমাকে প্রধান আসামী করে আরও ১৫জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার ( ৯ফেব্রুয়ারী) সকালে রণির মা লতাতি ত্রিপুরা বাদী হয়ে থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

মামলার অপর আসামীদের মধ্যে রয়েছেন-পানছড়ি উপজেলার লোগাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রতুত্তর চাকমা, পানছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সঞ্জয় চাকমা, শান্তি জীবন চাকমা, কয়েন চাকমা উল্লেযোগ্য।

অভিযুক্তরা সকলে প্রসীত বিকাশ খীসার নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) নেতাকর্মী-সমর্থক বলে জানা গেছে।

গত ৭ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় পানছড়ি উপজেলা সদরে সুখতারা নামক একটি বোর্ডিংয়ের সামনে রনি ত্রিপুরাকে লক্ষ করে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) মো. দুলাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দাহক্রিয়া শেষ করে শনিবার নিহতের মা মামলাটি দায়ের করেছেন।

নিহত রনি এমএন লারমা নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি কর্মী। সংগঠনের পক্ষে এ হত্যাকান্ডের জন্য প্রসীত বিকাশ খীসার ইউপিডিএফকে দায়ী করা হয়। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপিডিএফ।