লেখক: প্রকাশ চাকমা, সাধারণ সম্পাদক, রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগ

আজ ২রা ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক ঐতিহাসিক দিন।  বিজয়ের মাসের দ্বিতীয় দিনে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ন দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পার্বত্য এলাকায় শান্তি-সম্প্রীতি ও উন্নয়ন গড়ার শপথে সকল সম্প্রদায়ের মাঝে ঐক্য গড়ে তোলার সনদ তথা শান্তি চুক্তি সম্পাদন -জাতির আরেকটি বিজয় অর্জনের দিন।

পার্বত্য অঞ্চলের বসবাসরত ভিন্ন ভাষাভাষী সকল জাতিগোষ্ঠীর মাঝে তথা পাহাড়ি-বাঙালির মাঝে ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার এক নতুন দিগন্তের অধ্যায় সূচিত হয় আজকের এ দিনে। ১৯৭৫সাল পরবর্তী দীর্ঘ ২১বছর পর ১৯৯৬ সালে স্বাধীনতা স্বপক্ষের শক্তি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করলে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলে তার দূরদর্শী রাজনৈতিক চিন্তাধারা ও পর্যবেক্ষণে পার্বত্য চট্টগ্রামের বাস্তব চিত্র উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছিলেন।

পাহাড়ে দীর্ঘ দু্ইযুগেরও অধিক চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা আন্তরিক প্রচেষ্টার ফসল এ পার্বত্য চুক্তি। যে চুক্তি ‘শান্তি চুক্তি’ নামে অভিহিত।

তৃতীয় কোন পক্ষ ছাড়াই এসকল শান্তি চুক্তি বিশ্বের মধ্যে এক বিরল ইতিহাসের জন্ম দিয়েছে।  এ শান্তি চুক্তির কারনে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কেবল পার্বত্য চট্টগ্রামে জনসাধারণের কাছে নয়; সমগ্র বাংলাদেশ এবং সমগ্র বিশ্ব মানবতার মাঝে এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছেন।
ক্ষমতায় আসা মাত্রই স্বল্প সময়ের মধ্যে বিশ্বের কোথাও কোন রাষ্ট্র প্রধান এ ধরণের যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত দিতে পেরেছে কিনা আমার জানা নেই।

ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তির মতো যুগান্তকারী এ পদক্ষেপ গ্রহণ করে পাহাড়ের মাঝে যে শান্তি-সম্প্রীতি ও উন্নয়ন সংঘটিত হয়েছে…… তারজন্য তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে পার্বত্য চট্টগ্রামের তরুণ প্রজন্ম এবং রাঙ্গামাটি জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করছি।