মঈন উদ্দীন বাপ্পী । হিলরিপোর্ট

রাঙামাটি: বাংলাদেশ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবদুস সবুর বলেন, পাহাড়ের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হবে। শুক্রবার (০৮অক্টোবর) রাঙামাটি সড়ক সার্কেল আওতাধীন চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সড়ক ও জনপথ রাঙামাটির সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান প্রকৌশলী আবদুস সবুর রাঙামাটি সড়ক বিভাগের কার্যক্রম নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, তিন পার্বত্য জেলার ডিউ লেটারগুলির ব্যাপারে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হবে। পাশাপাশি রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির সড়ক ও জনপথ অফিসকে ডাকবাংলোসহ মাল্টি ষ্টোরেজ ভবন নির্মানের জন্য স্থানীয় দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা প্রদান করেন।

এদিকে সভায় প্রধান প্রকৌশলীকে স্থানীয় কর্মকর্তারা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানসহ তিন পার্বত্য জেলার মোট ১১৯১.৬২ কিমিঃ সড়কের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। বিশেষ করে রাঙামাটিতে চলমান পাহাড় ধ্বস প্রকল্প, নানিয়ারচর চেঙ্গী নদীর উপর সেনাবাহিনী কর্তৃক নির্মিত ৫০০ মিটার সেতুর সমাপ্ত প্রকল্প, বান্দরবান সড়ক বিভাগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক বাস্তবায়িত প্রকল্প, খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক সমাপ্ত প্রকল্প, তিন পার্বত্য জেলার চলমান ও পরিকল্পনাধীন ১০৪টি বেইলী সেতু নির্মাণ প্রকল্প এবং পিএমপি সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পসমূহে বাস্তব অবস্থান, অগ্রগতি বিষয়ে অবহিত করেন।

রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান সড়ক বিভাগের বিভিন্ন সমাপ্ত প্রকল্প, চলমান প্রকল্প, পরিকল্পনাধীন প্রকল্প সম্পর্কে তাকে স্লাইড সো‘র মাধ্যমে অবহিত করেন, রাঙামাটি সড়ক সার্কেল তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জনাব মো. জাহাঙ্গীর আলম। তিন পার্বত্য জেলার বিভিন্ন কাজের ব্যাপারে বিশ্লেষন করেন, চট্টগ্রাম জোন এর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল ওয়াহিদ।

রাঙামাটি সড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়-বাংলাদেশ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আবদুস সবুর রাঙ্গামাটি সড়ক সার্কেল আওতাধীন চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি এবং বিভিন্ন রক্ষণাবেক্ষণ ও পিএমপি কাজ সরে জমিনে পরিদর্শন করার জন্য রাঙামাটিতে সফর করেছেন। সফরকালীন সময়ে তিনি সরেজমিনে বিভিন্ন উন্নয়ন ও মেরামত কাজ পরিদর্শন করেন এবং এব্যাপারে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম সড়ক বিভাগের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্পের দায়িত্বে নিয়াজিত জুলফিকার আহম্মেদ, রাঙামাটি সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহে আরেফিন, খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জহিরুল ইসলাম, বান্দরবান সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোসলেহ উদ্দিন আহম্মদ, চট্টগ্রাম কারখানা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোমিনুল ইসলাম, রাঙামাটি কারখানা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মিসেস সিফাত আফরিন, প্রধান প্রকৌশলী মহোদয়ের সংগে ছিলেন তাঁর প্রটোকল অফিসার নাজমুল হাসান, নির্বাহী প্রকৌশলী, খাগড়াছড়ির উপ-বিভাগীয় সবুজ চাকমা এবং রাঙামাটির সকল উপ-বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফারহান।