॥ মঈন উদ্দীন বাপ্পী ॥

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ আবু মোহাম্মদ হাশিম বলেছেন, বর্তমান সরকার উন্নয়নের ক্ষেত্রে শহর-গ্রাম কোন পার্থক্য করছে না। প্রতিশ্রুতিনুযায়ী যেখানে যতটুকু উন্নয়ন করা দরকার সেখানে ততটুকু উন্নয়ন করছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার শুধু সমতলে উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখেনি। সমতলের ন্যায় পাহাড়ের পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের স্বার্থে উন্নয়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

শনিবার (৭অক্টোবর) রাঙামাটি শহরের জিমনেসিয়াম মাঠে অনুষ্ঠিত জাতীয় উন্নয়ন মেলার সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা তুলে ধরেন।

হাশিম বলেন, তখনি দেশ তখনি এগিয়ে যাবে যখনি আপনি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিবেন। দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে আর আপনি সে যাত্রার সঙ্গী হোন। দেশের উন্নয়নে সকলে মিলে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭২ সাল থেকে চুক্তির আগ পর্যন্ত পার্বত্য এলাকায় শান্তি ছিলো না। হত্যা, গুম, সন্ত্রাসী কার্যক্রম অব্যাহত ছিলো। ১৯৯৭ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতা থাকাকালে এক ঐতিহাসিক চুক্তির মাধ্যমে পাহাড়ে শান্তি পায়রা উড়ায়। পাহাড়ের মানুষের মাঝে স্বস্থীর নি:শ্বেস ফিরে আসে।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশীদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন- রাঙামাটি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. মঈন উদ্দীন, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা (ডিজিএফআই) রাঙামাটি অঞ্চলের অধিনায়ক কর্ণেল জিএস শামসুল আলম, সিভিল সার্জন ডা. শহীদ তালুকদার, জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত প্রশাসক (সার্বিক) কেএম শফি কামাল, প্রধানমন্ত্রীয় কার্যালয়ের উপ-সচিব সঞ্চয় চক্রবর্তী , রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন রুবেল।।

এদিকে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী মেলা ছিলো চোখে পড়ার মতো। মেলার সার্বিক ব্যবস্থাপনা দেখে আগত দর্শনার্থীরা বেজায় খুশি। বিকেলের সঙ্গীতানুষ্ঠান দর্শকদের মাতিয়ে রেখেছে সারাক্ষণ।

প্রসঙ্গত: এর আগে গত বৃহস্পতিবার সকালে তিন দিনব্যাপী এ মেলার উদ্বোধন করে গেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদূর ঊশৈসিং এমপি। শনিবার বিকেলে আড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে মেলার সমাপ্তির পর্দা নামানো হয়।