॥ স্টাফ রিপোর্টার ॥

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিড়ে সারা দেশেই কঠোর নিরাপত্তা এবং সর্বদা সচেতন ছিলো প্রশাসনসহ সকল আইন শৃংখলা বাহিনী।

দেশে কোন প্রকার নাশকতা সৃষ্টি না হওয়ার জন্য সর্বদা সর্তক অবস্থানে ছিল প্রশাসন মহল। তারই ফলশ্রুতিতেই পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিটি জেলা,উপজেলায়ও ছিল কঠোর নিরাপত্তা।

কমতি ছিলোনা রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলাতেও। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন প্রকার নাশকতা ও দূর্ঘটনা না হওয়ার জন্য সর্বদা প্রস্তুত ছিল নানিয়ারচর উপজেলা প্রশাসন।

নির্বাচনের অভিজ্ঞতা ও সার্বিক বিষয়ে আলোকপাত করতে নানিয়ারচর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক রিপন দাশ বলেন- গত ৩০শে ডিসেম্বরের অনুষ্ঠিতব্য সংসদ নির্বাচন ও তার পূর্ব মূহুর্ত হতে আমি লক্ষ্য করেছি যে-নানিয়ারচর উপজেলা প্রশাসন,পুলিশ বাহিনী, সেনাবাহিনী, বিজিবি,আনসার-ভিডিপি সহ সকল প্রশাসনিক মহল ছিলো সর্বদা সচেতন। নির্বাচনের সুষ্টু পরিবেশ সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে তাদের অবদান সত্যিই প্রশংসনীয়।

নানিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার,নানিয়ারচর জোনের জোন কমান্ডার মহোদয়, নানিয়ারচর থানার ওসি মহোদয়,উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয় এবং স্বর্বপরি নানিয়ারচর উপজেলার দায়িত্বরত রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ত্রিদীব কান্তি দাশ ছিলেন সর্বদা সচেতন।

নির্বাচনের সুষ্ট পরিবেশ ও সু-শৃংখল নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে একটি গ্রহনযোগ্য ও অবাধ সুষ্ট নির্বাচন উপহার দেয়ার জন্য আমরা আনন্দিত।

ছাত্রনেতা রিপন আরো বলেন- একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুষ্টু পরিবেশ সৃষ্টি ও সু-শৃংখল নিরাপত্তার কারনে জনগন তাদের সঠিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারায় এবার আমরা আমাদের প্রানের নেতা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত রাঙামাটি ২৯৯নং আসনের নৌকার প্রার্থী জননেতা দীপংকর তালুকদারের বিজয় সুনিশ্চিত করতে পেরেছি।

নয়তো প্রতিবার অবৈধ অস্ত্রধারীদের কারনে ভোট কেন্দ্রগুলো থাকে অনিরাপদ।
জনগন তাদের ভোটাধিকার প্রদান করতে পারেনা। কিন্তু এবার তা আর সম্ভব হয়নি।এবার সরকার ও আইন শৃংখলা বাহিনী সহ সকল প্রশাসন প্রচুর সর্তক অবস্থানে ছিলো।

নানিয়ারচর উপজেলার প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ বাহিনী,আনসার-ভিডিপি বাহিনীদেরও নানিয়ারচর উপজেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

রিপন বলেন-এই সংসদ নির্বাচনে আমার যথেষ্ট অভিজ্ঞতা সঞ্চয় হয়েছে।আমি আশা করছি আগামী দিনগুলিতেও যদি এধরনের নিরাপত্তা প্রস্তুতি ও প্রশাসনিক তৎপরতা বৃদ্ধিকরন করা হয় তাহলে সকল নির্বাচনেই সচ্ছতা ও গ্রহনযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে এবং সাধারন জনগন তাদের মনের ভয়ভীতি দুর করে সঠিক মতামত প্রকাশে অগ্রসর হবে।

আমি আশা করছি- আমার সহযোদ্ধা নানিয়ারচর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল বড়ুয়াও আমার সাথে একমত হবেন এবং নির্বাচনী সার্বিক বিষয়ে ঐক্যমত প্রকাশ করবেন।

সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী দীপংকর তালুকদারের বিজয়ের সূত্রে ছাত্রনেতা রিপন বলেন- আমি আশাবাদী এই বিজয়ে পার্বত্যবাসী ও পার্বত্য চট্রগ্রামের সকল সম্প্রদায়ের সেতু বন্ধন সৃষ্টি হবে। সেই সাথে নানিয়ারচর উপজেলার ভাগ্যউন্নয়নের নব দিগন্ত রচিত হলো।