স্টাফ রিপোর্টার । হিলরিপোর্ট

রাঙামাটি: রাজনীতি কারো জন্য নেশা বা কারো কারো জন্যই পেশাও বটে। তবেই রাজনীতির এমন সময়ে এমন কিছু ব্যক্তি থাকেন তারা শুধু দলের জন্য, দেশের জন্য শ্রম দিয়ে যান। তাদের কথা দল বা দলের নেতারা বেমালুম ভুলে যান। আর তারা যদি প্রয়াত হয়ে যান তবেই দল থেকে একটি ফুলের মালা, একটি শোক ব‌্যানার যদি বড় মাপের নেতা হয় তাহলে একটি শোক সভা, তারপর সব শেষ। দিন চলে যায়, বছর ঘুরে আসে, তাদের কথা কেউ আর মনে রাখে না। ভবের দুনিয়ায় সবাই ব্যস্ত যে যার মতো আখের গোছাতে।

বলছিলাম, এক সময়ের ছাত্র রাজনীতির রাজপথ কাঁঁপানো প্রয়াত মৎস্যজিবিলীগ নেতা শ্যামল দেব, দলের পরিচিতি কর্মী সুরত আলী এবং বিটু বড়ুয়াদের কথা। যারা রাজপথে দলের দু:সময়ে মাটি কামড়িয়ে পড়ে থাকতেন। মিছিলের অগ্রবাগে যারা ছিলেন পরিচিত মুখ। তারা সম্প্রতি সময়ে মারা গেছেন বিভিন্ন রোগ-শোকে। কিন্তু এতদিন হয়ে গেলেও তাদের কথা কিংবা তাদের পরিবারের কথা কেউ স্মরণও রাখেনি। দল তাদের জন্য শোক ব‌্যানার টাঙিয়ে দায়িত্বটুকু শেষ করেছেন।

বর্তমান সময়ে রাজনীতি জগতে আলোর মুখ, সাবেক ছা্ত্রলীগ নেতা, বর্তমানে রাঙামাটি সদর উপজেলার চেয়ারম্যান ও গণপরিবহন নেতা শহিদুজ্জামান মহসিন রোমান এইবার প্রয়াত এইসব দুর্দিনের কর্মীদের পরিবারের ছায়া হয়ে আবিভার্ব হয়েছেন। নিজের সামর্থটুকু দিয়ে তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর কথা দিয়েছেন।

চেয়ারম্যান রোমান বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ভালবেসে রাজনীতির সাথে নিজেকে জড়িয়েছি। একটি দলের মূল প্রাণ হলো কর্মী। ভাল কর্মীর মাধ্যমে নেতারা ঠিকে থাকে।

আমি আওয়ামী পরিবারের শ্যামল দেব, সুরত আলী এবং বিটু বড়ুয়ার পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি মাত্র। প্রয়াত এই কর্মীদের পরিবারকে আমার সামর্থটুকু দিয়ে যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন সহযোগিতা অব্যাহত রাখবো।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে তাদের পরিবারবর্গকে ২৫কেজি করে চাল উপহার দিলাম। পরবর্তী সময়ে এই সহযোগিতার হাত আরো বড় করা হবে। শুরু করলাম মাত্র।

চেয়ারম্যান রোমান জানান, আমার মতো করে যদি সামর্থবান দলের অন্যান্য নেতারা কর্মীদের পাশে দাঁড়ান তাহলে কর্মীদের সমস্যা দূর হয়ে যাবে। তাদের এই ধরণের কষ্টের জীবন অতিবাহিত করতে হবে না।