॥ স্টাফ রিপোর্টার ॥

নানিয়ারচর উপজেলায় ৬হত্যাকান্ডে আটক দু’জনকে বিভিন্ন মেয়াদে পুলিশি রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

মঙ্গলবার অভিযুক্তদের রাঙামাটি রাঙামাটি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদ আহম্মদ’র আদালতে তোলা হলে পক্ষে-বিপেক্ষের আইনজীবিদের শুনানী শেষে বিজ্ঞ আদালত অভিযুক্তদের মধ্যে জেএসএস সন্তু গ্রুপের কেন্দ্রীয় নেতা সুঅতিশ চাকমা ওরফে তন্টু মণি চাকমাকে দু’দিন এবং ইউপিডিএফ সমির্থিত কিরণ জ্যোতি চাকমাকে তিনদিন রিমান্ড প্রদান করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙামাটি জর্জ কোর্ট ইন্সপেক্টর ইসরাফিল মজুমদার।

চলতি মাসের ১০ মে দিনগত গভীর রাতে রাঙামাটি শহরে যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি সন্তু গ্রুপ’র (পিসিজেএসএস) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুঅতিশ চাকমা ওরফে তন্টু মণি চাকমাকে গ্রেফতার করেছে।

অপরদিকে ১০ মে দুপুরে রাঙামাটি শহরের কল্যাণপুর এলাকা থেকে ইউপিডিএফ সমর্থিত কিরণ জ্যোতি চাকমা (৫৫) নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

এ বিষয়ে রাঙামাটি কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সত্যজিৎ বড়ুয়া জানান, আটককৃত উভয়ে নানিয়ারচর ৬হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত। জেলার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ পুরো জেলা জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, (৩মে) সকালে নিজ কার্যালয়ে যাওয়ার সময় দুবৃর্ত্তের গুলিতে শক্তিমান চাকমা নিহত হন। এসময় তার সাথে থাকা সহকারী রুপম চাকমাও গুলিবিদ্ধ হয়।

অপরদিকে, শুক্রবার (৪মে) দুপুরে শক্তিমান চাকমার অন্ত্যোষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানে যোগদান করে ফেরার পথে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক প্রধান তপন জ্যোতি চাকমা বর্মার গাড়ি বহরে একদল দুর্বৃত্ত নানিয়ারচর উপজেলার বেতছড়ি এলাকায় ব্রাশ ফায়ার করে হামলা চালালে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক প্রধান বর্মা এবং তার সাথে থাকা তার দলের তিন নেতা এবং গাড়ীর ড্রাইভার নিহত হন। এসময় ঘটনাস্থলে আরও ৯জন গুলিবিদ্ধ হয়।

এ ঘটনায় নানিয়ারচর থানায় ১১৮জনের বিরুদ্ধে দু’টি পৃথক মামলা দায়ের করা হয় ভিকটিমদের পক্ষ থেকে।