স্টাফ রিপোর্টার । হিলরিপোর্ট

রাঙামাটি: রাঙামাটিতে গত কয়েকদিন ধরে থেমে থেমে ভারী বৃষ্টি-পাত হচ্ছে। আর বৃষ্টি বেড়ে যাওয়ায় পাহাড়ী ঢল নামতে শুরু করেছে। জেলার সবচেয়ে দুর্গম উপজেলা বাঘাইছড়িতে উজান থেকে পাহাড়ী ঢল নামায় কাচালং নদীতে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। যে কারণে নদীর পাশ্ববর্তী বসবাস করা প্রায় কয়েকশত পরিবার এইবার সেই নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। বর্তমানে তারা অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে।

উপজেলার বারি বিন্দু ঘাট থেকে শুরু করে বটতলী, পূর্ব লাইল্যা ঘোনার পুরো এলাকায় বর্তমানে ভাঙ্গন ধরেছে।

স্থানীয়দের দাবি, গ্রাম রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে এই বর্ষায় পুরো এলাকা বিলীন হয়ে যাবে। ইতোমধ্যে অর্ধশত নারিকেল ও সুপারি গাছসহ বেশ কয়েকটি বসত ঘর ভাঙ্গনের কবলে পরে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত শহিদুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন থেকে আমরা এই গ্রামে বসবাস করি। নদী ভাঙ্গনের ফলে এখন আমাদের শেষ সম্বল বসত বাড়ীটিও বিলিন হওয়ার পথে। দ্রত ব্যবস্থা না নিলে এই বর্ষায় বাড়ীটিও নদীর গর্ভে চলে যাবে। আমার মত এমন প্রায় অর্ধশত পরিবার চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে।

বাঘাইছড়ি ইউনিয়নের সাবেক নারী সদস্য জান্নাতি বেগম বলেন, আমরা বারবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে বিষয়টি সরকারের নজরে আনার চেষ্টা করেছি। কোন কাজ হয়নি। তাই সবাইকে সাথে নিয়ে মানববন্ধন করাসহ প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্বারকলিপি দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান জানান সাবেক এই জনপ্রতিনিধি।

বাঘাইছড়ি পৌরসভার মেয়র জাফর আলী খান বলেন, নদী যে হারে ভাঙ্গছে তা খুবই ভয়াবহ নদী ভাঙ্গন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা জরুরী।