॥ বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি ॥

রাঙামাটির দূর্গম বাঘাইছড়ি উপজেলায় আ’লীগ-বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ১৩জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৪জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। শনিবার (২৯ডিসেম্বর) রাত ৯টার দিকে আমতলী ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- ফোরকান, রফিক, আমিরুল, শাহজাহান, হুমায়ন, শাহাদাৎ, মোখলেস, ফখরুল, মোহাম্মদ এবং রহমত। তবে বাকীদের নাম, ঠিকানা জানা যায়নি। আহতরা সকলে যুবলীগের নেতা-কর্মী বলে জানা গেছে।

আমতলী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মো. রুবেল আলম জানান- আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়েছে। তবে এলাকায় এখনো সংঘর্ষ চলছে বলে জানান ছাত্রলীগের এ নেতা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে- যুবলীগের নেতা-কর্মীরা দলীয় নির্বাচনী অফিসে যাওয়ার সময় বিএনপি সমর্থক এক নারী যুবলীগ নেতা-কর্মীদের লক্ষ্য কওে মরিচের গুড়া ছিটালে ঘটনার সূত্রপাত ঘটে।

তবে এ বিষয়ে বিএনপি নেতা-কর্মীদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।

এদিকে শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার বটতলী ইউনিয়নে ছাত্রলীগের মিজান নামের এক নেতা ছাত্রদলের কর্মী মো. আবুকে ডেকে নিয়ে থাপ্পর মারে। থাপ্পর খেয়ে আবু তার বাড়িতে গিয়ে ঘটনার খবর জানালে আবুর বাবা শুক্কুর আলী তার ছেলে মানিক এবং আবু এবং তাদের স্বজন সালউদ্দীন, তাজউদ্দীন মিলে ধারালো অস্ত্র নিয়ে বটতলী বাজারে এসে ছাত্রলীগের নেতা মিজানকে খুঁজতে থাকে।

অবশেষে মিজানকে না পেয়ে বাজারে অবস্থান করা মিজানের বাবা আজিজুর রহমানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আবুর স্বজনরা কুপাতে থাকে।

ছাত্রলীগের নেতা মিজানের বাবাকে আহত অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

তবে ছাত্রলীগের নেতা মিজান তার দলবল নিয়ে বিএনপি সমর্থক আবুর পরিবারের উপর পাল্টা হামলা চালালে আবুসহ তাদের পরিবারের ৪জন আহত হয়।

বাঘাইছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি- তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান-বর্তমানে ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে প্রশাসন ওই এলাকায় টহল জোরদার করেছে।