॥ বান্দরবান প্রতিনিধি ॥

দীর্ঘ ছয় বছর পর বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিকী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে শহরে স্থানীয় রাজার মাঠে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ এমপি।

কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম, কেন্দ্রীয় আ’লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি, উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়–য়া, চন্দনাইশ আসনের এমপি নজরুল ইসলাম চৌধুরী, কক্সবাজার সদর আসনের এমপি সাইমুম সরোয়ার কমল, খাগড়াছড়ি জেলার এমপি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, মহেশখালী কুতুবদিয়া আসনের এমপি আশেকুল্লাহ রফিক, খাগড়াছড়ি সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি বাসন্তী চাকমা, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোসলেহ উদ্দীন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানসহ বিভিন্ন জেলা-উপজেলার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এতে সাত উপজেলা ও দুই পৌরসভার আওয়ামীলীগ এবং এর অঙ্গ-সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন।

প্রধান অতিথি মাহবুব উল আলম হানিফ এমপি বলেন, দু’দশকের অশান্তি ও সংঘাতের পরিবর্তে পাহাড়ে ব্যাপক উন্নয়ন হচ্ছে। উন্নয়নের এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে দলের নেতাকর্মীদেরও অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি আরো বলেন পার্বত্য চট্টগ্রামে যারা অস্ত্রবাজী, সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের মাধ্যমে পাহাড়ে অশান্তি সৃষ্ঠির চেষ্ঠা করছে তাদের পরিনতি ভাল হবে না। সরকার পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি লক্ষে শান্তি চুক্তি করেছে এবং বাকী ধারাগুলো বাস্তবায়নে সরকার আন্তরিক। আওয়ামীলীগ একটি শক্তিশালী দল।

আওয়ামীলীগের পতন ঘটাতে পারে এমন কোন শক্তি বাংলাদেশে নেই। কেউ ধাক্কা দিয়ে আওয়ামীলীগের পতন ঘটাতে পারবে না। তিনি সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবানও জানান

পরে সমাবেশ শেষে ১৫৬জন ভোটারের উপস্থিতিতে অরুন সারকী টাউন হলে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। এসময় সভাপতি পদে একক প্রার্থী হওয়ায় গতবারের সভাপতি পাবত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা বিনা প্রতিদন্ধিতায় সভাপতি নির্বাচিত হয়,

অপরদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে ৬জন প্রার্থী ফরম জমা দিলেও শেষ মুহুর্তে ৫জন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেয়ায় সাধারণ সম্পাদক পদেও বিনা প্রতিদন্ধিতায় নির্বাচিত হয় দীর্ঘ ৪ বছর সাধারণ সম্পাাদকের দায়িত্ব পালনকারী ও পৌর মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী।

এদিকে সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে জেলার সাতটি উপজেলা ২টি পৌরসভা ও ৩৩টি ইউনিয়ন থেকে প্রায় ৬ হাজারের অধিক নেতাকর্মী মিছিল সহকারে রাজারমাঠে সম্মেলনে অংশ নেয়। সম্মেলন উপলক্ষে সন্ধায় রাজারমাঠে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।