॥ মঈন উদ্দীন বাপ্পী ॥

দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাহাড়ের বাসিন্দা তথা রাঙামাটিবাসীকে মেডিকেল কলেজ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় উপহার দিলো। বিদ্যুৎ সমস্যা নিরসনে শতকোটি টাকার বরাদ্ধ দিলেও কিন্তু বিমান বন্দর নির্মাণে না করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী। কেননা পাহাড়ের মাটি সমতলের মতো মজবুত নয়।

বিমান বন্দরের বদলে প্রধানমন্ত্রী রাঙামাটিতে মানুষের যোগাযোগ ব্যাবস্থা উন্নতি করার লক্ষ্যে সড়কের ব্যাপক উন্নয়ন করার ঘোষণা প্রদান করেন। এছাড়া মৎস্যর সাথে জীবিকা নির্বাহকারী জেলেদেকে খাঁচায় মাছ চাষের পরামর্শ প্রদান করেন তিনি।

বুধবার ( ৬ফেব্রুয়ারী) সকালে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত রাঙামাটিবাসীর সাথে ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

এসময় রাঙামাটি আসনের সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার, মহিলা সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু, রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রিয়াদ মেহমুদ, রাঙামাটি জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশীদ, বিজিবি সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল আবদুল খালেক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো.ছুফি উল্লাহসহ প্রশাসনের সকল দপ্তরের কর্মকর্তাগণ।

রাঙামাটিবাসীর দীর্ঘদিনের আশা ছিলো পাহাড়ের রাজধানী রাঙামাটিতে একটি বিমানবন্দর গড়ে উঠবে। কেননা বিমানবন্দরটি শুধু রাঙামাটির জন্য নয় পুরো পার্বত্যঞ্চলের জীবন-মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পালন করবে।

আর এ চিন্তা থেকে রাঙামাটিতে একটি বিমান বন্দর নির্মাণ করতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড’র চেয়ারম্যান নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা গত ৮জানুয়ারী বাংলাদেশ বিনিয়োগ বোর্ড’র (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী মো. আমিনুল ইসলামের কাছে একটি চিঠি প্রেরণ করেন।

এ চিঠি পাওয়ার পর বিডা’র চেয়ারম্যান বেসরকারি বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের কাছে এ বিষয়ে অবগত করে রাঙামাটিতে বিমান বন্দর নির্মাণের জন্য চিঠি প্রেরণ করেন।