॥ স্টাফ রিপোর্টার ॥

 ভালবাসার দিনে রাঙামাটিতে পৃথক দুর্ঘটনায় ৬জন নিহত এবং ৩জন নিখোঁজ রয়েছে। শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) সকাল- দুপুরে এ ঘটনাগুলো ঘটে।

পুলিশ, হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাঙামাটি শহরে শুক্রবার দুপুরে ডিসি বাংলো নিকটবর্তী লাভ পয়েন্টের কাছে একটি ট্যুরিষ্ট বোট উল্টে নারী-শিশুসহ ৫জন নিহত হয়েছে।

নিহতরা হলেন- রীনা বেগম (৪৫), শীলা বেগম (৩০), আফরোজা আক্তার (১৪), আসমা আক্তার (৪৫)। তবে আরেকজনের পরিচয় মিলেনি।

সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামের ফেসিপিক জিন্স লিমিটেডের ৫০জন শ্রমিকের একটি দল বনভোজনের উদ্দেশ্যে রাঙামাটি এসে দু’টি বোট ভাড়া করে কাপ্তাই হ্রদে ঘুরতে বের হয়। এরপর শ্রমিক বহনকারী একটি বোট হঠাৎ উল্টে গিলে ঘটনাস্থলে নারী-শিশুসহ ৫জন নিহত হন।

এদিকে শুক্রবার সকালে রাঙামাটি সদরের সাপছড়ি ইউনিয়নের শালবাগান পুলিশ ক্যাম্প এলাকায় পিকনিক বাস উল্টে বাসের হেলপারসহ ১জন নিহত এবং ৩০আহত হয়েছে। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মানিকছড়ি ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. রহমান।

নিহত-আহত ব্যক্তিরা সকলে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন লিমিটিডের টেনডেক্স লিমিলেড নামের একটি চায়না ফার্ণিচার কারখানা শ্রমিক।

পিকনিক বাসের বেঁচে যাওয়া যাত্রী মো. সালমান (২৮) জানান, তারা ৬০জনের একটি পিকনিক দল চট্টগ্রাম থেকে রাঙামাটিতে বনভোজনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিলো। কিন্তু পথিমধ্যে রাঙামাটির সাপছড়ি এলাকায় তাদের বাস উল্টে যায়।

অপরদিকে শুক্রবার দুপুরে কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের কয়লার ডিপো এলাকায় কর্ণফুলী নদীতে ইসকন ধর্মালম্বীদের নৌকা বোট ডুবে একজন শিশু নিহত এবং ২জন নিঁখোজ রয়েছে। তাদের এখনো উদ্ধার করা যায়নি বলে কাপ্তাই উপজেলা প্রশাসন সূত্র নিশ্চিত করেছে।

রাঙামাটি সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা: শওকত আকবর এসব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ট্যুরিষ্ট বোট সংঘর্ষের ঘটনায় বর্তমানে একজন নারী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আর সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে বর্তমানে ২০জন রাঙামাটি সদর হাসপতালে চিকিৎসাধীন এবং বাকী ২জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসা দিতে পাঠানো হয়েছে।