॥ ঝুলন দত্ত, কাপ্তাই ॥

রাঙামাটির কাপ্তাইয় উপজেলার রাইখালী ইউনিয়নের চন্দ্রঘোনা থানাধীন গবাছড়া এলাকায় গত বছরের পহেলা জুলাই দিনগত রাতে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর মা-মেয়েকে ব্রাশ ফায়ার করে খুনের ঘটনার প্রধান আসামী মেহেলা মারমা ওরফে সানি মারমাকে (৩৪) আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (২১মার্চ) রাতে পাশ্ববর্তী জেলা খাগড়াছড়ির লক্ষীছড়ি উপজেলায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওই ঘটনার সাথে জড়িত আরেক আসামী রবিউল আলম ওরফে বাবুলকে (২২) চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা থেকে আটক করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া মেহেলা মারমা কাপ্তাই উপজেলার ২নং রাইখালী ইউনিয়নের গবাছড়া এলাকার মৃত ক্যজাইহলা ওরফে পুতুল মারমার ছেলে। অন্যদিকে গ্রেফতার হওয়া আরেক আসামী বাবুল চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ১০নং পদুয়া ইউনিয়নের পশ্চিম ছিফছড়ি এলাকার ইব্রাহিমের ছেলে।

চন্দ্রঘোনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফ উদ্দীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, চন্দ্রঘোনার থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খাগড়াছড়ির লক্ষীছড়ি উপজেলায় অভিযান চালিয়ে জোড়া খুনের ঘটনার প্রধান আসামী এবং তার স্বীকারোক্তিতে অপর আসামীকে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা থেকে আটক করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের রোববার রাঙামাটি আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে যোগ করেন ওসি।

গত বছরের পহেলা জুলাই দিনগত গভীর রাতে কাপ্তাই উপজেলার রাইখালী ইউনিয়নের গবাছড়া এলাকায় একদল মুখোশ পরিহিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ঘরের ভিতর প্রবেশ করে মা ম্রাসাং মারমা খই (৬০) এবং মেয়ে সাংনু মারমাকে (২৯) ব্রাশ ফায়ার করে হত্যা নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়। ঘটনার কিছুদিন পর পুলিশ বাদী হয়ে চন্দ্রঘোনা থানায় সানি মারমাকে প্রধান আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।