মঈন উদ্দীন বাপ্পী । হিলরিপোর্ট

রাঙামাটি: করোনা ভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে রাঙামাটির বিভিন্ন মার্কেট ও শপিংমলগুলো সীমতি আকারে ঝুঁকি নিয়ে খোলা হয়েছে। প্রথমদিনে ক্রেতা সাধারণ ছিলো কম এবং বিকিকিনি তেমন ছিলো না।

বুধবার (১৩মে) সরেজমিনে গেলে দেখা যায়- জেলা শহরের শপিংমলগুলো খুলতে শুরু করেছে। আর যেসব শপিংমলগুলো খোলা হয়েছে সেখানে ক্রেতাদের দেখা তেমন মিলেনি। তাই বিকিকিনিও তেমন নেই। অনেকে দোকান খুলে শোরুমগুলোর মধ্যে জমানো ময়লা পরিষ্কার করছেন এবং সাজিয়ে তোলার চেষ্টা করছেন। অনেকে আবার বেকার সময় পার করছেন। করোনার আতঙ্কে ক্রেতা না আসায় বেচাকেনা নেই বলে জানান বিক্রেতারা।

বিএম শপিং কমপ্লেক্স এর ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের বলেন, অনেকদিন মার্কেট বন্ধ ছিলো। তাই প্রথমদিন খুলে পরিষ্কার-পরিছন্ন করছি এবং সাজানোর চেষ্টা করছি।
তিনি আরও বলেন, মার্কেট খোলা হলেও ক্রেতা নেই, অলস সময় পার করছি। একদিকে করোনা আতঙ্ক এবং অন্যদিকে যানচলাচল বন্ধ সব মিলে এই বছর যেমন ক্রেতার দেখা পাওয়া কষ্টকর হবে তেমনি ব্যবসা কাটবে মন্দায়।

ক্রেতা মুহুয়া ফারজানা বলেন, কয়েকটি মার্কেট ঘুরেছি। নিজের পরিবারের জন্য জামা-কাপড় দেখলাম। পছন্দ হয়নি এখনো। পছন্ন হলে কিনে নিয়ে যাবো।

বৃহত্তর বনরূপা ব্যবসায়ী কল্যাণ সমতির সভাপতি মো. আবু সায়্যিদ বলেন, করোনার কারনে প্রায় দেড় মাস এর মতো শপিংমলগুলো বন্ধ ছিলো। ব্যবসায়ীদের অবস্থা খুব খারাপ হয়ে গেছে। তাই ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দরা মিলে সিন্ধান্ত নিয়েছে তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান-পাট খুলে ব্যবসা করবে।

ব্যবসায়ী সমিতির এই নেতা আরও বলেন, করোনা প্রতিরোধে দোকানদানরা অবশ্যই মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাপস পরবে। ব্যবহার করবে হ্যান্ডস্যানিটাইজার এবং ক্রেতাদের অবশ্যই দোকানে প্রবেশ করার আগে জীবাণুনাশক স্প্রে করবে।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসক (ডিসি) একেএম মামুনুর রশীদ বলেন, ব্যবসায়ীরা সরকারের নির্দেশনা মেনে দোকান-পাট খুলবে। সকাল ১০টা থেকে শুরু করে বিকেল ৪টার মধ্যে দোকান বন্ধ করবে। এছাড়া করোনা প্রতিরোধে ব্যবসায়ীদের জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তারা সেই নির্দেশনা মেনে ব্যবসা করে।