॥ মঈন উদ্দীন বাপ্পী ॥

‘সাংগ্রাঁইং মা ঞি ঞি ঞা ঞা..রি, কাজাই গাই পামে ও ঞিং ওকো রো ও এম্রো ম্রি রোগাই লাগাই চুও প্য গাই মেলে’ মারমা এ গানের অর্থ দাঁড়ায়- ‘এসো এসো সাংগ্রাঁইতে এক সাথে মিলে মিশে জলকেলিতে আনন্দ করি’।

বুধবার দুপুরে রাঙামাটি শহরের আসামবস্তিস্থ নারকেল বাগান এলাকায় মারমা সংস্কৃতি সংস্থার (মাসস) আয়োজনে সাংগ্রাই জল উৎসবে মারমা সম্প্রদায়ের যুবক-যুবতী এবং শিশু কিশোররা তাদের ঐতিহ্যর পোশাক পড়ে মারমা গানের মাধ্যমে পুরাতন বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে বরণ করে নেয়।

মারমা সম্প্রদায় এ জল উৎসব পালন করার মূল অর্থ হলো -এক অপররের প্রতি পানি ছিটিয়ে পুরাতন বছরের সকল দু:খ, কষ্ট, গ্লানি, ভুলে গিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে বরণ করা।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার ওইদিন সকালে প্রধান অতিথি থেকে নারকেল বাগান এলাকায় অনুষ্ঠিত এ উৎসবের উদ্বোধন করেন ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় সংসদ সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা, রাঙামাটি ব্রিগেড কমান্ডার গোলাম ফারুক, ডিজিএফআই কমান্ডার কর্ণেল সামসুল আলম, রাঙামাটি জেলা প্রশাসক একেএম মামনুর রশীদ, রাঙামাটি সদর জোন কমান্ডার কর্ণেল রিদওয়ানুল প্রমুখ।

ওইদিন জলকেলি উৎসব ছাড়াও মারমা তরণ-তরুণীরা মারমা ভাষায় নাচ-গানে আগত অতিথিদের মুগ্ধ করে তোলেন।

বুধবার বিকেলে আড়ংম্বর অনুষ্ঠানের মধ্যে এ অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটবে। সমাপনী দিনে প্রধান অতিথি থাকবেন রাঙামাটি পুলিশ সুপার আলমগীর কবীর।