॥ স্টাফ রিপোর্টার ॥

সবুজ পাহাড়- হ্রদের মিতালী শহর রাঙামাটিতে প্রতি বছর অনেক ভ্রমণ পিপাসু পর্যটক রাঙামাটিতে বেড়াতে আসেন। কিন্তু রাঙামাটির অনেক গুরুত্বপূর্ণ সৌন্দর্যমন্ডিত পর্যটন স্পটগুলো না চেনায় ভ্রমণ না করে পর্যটকদের ফিরে যেতে হয়।

দীর্ঘদিন ধরে পর্যটকদের দাবি ছিলো- ভ্রমণের সুবিধার্তে রাঙামাটিতে গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন স্পটগুলো যদি প্রতীক দিয়ে সনাক্ত করা থাকে তাহলে ঘুরতে তাদের সুবিধা হয়।

পর্যটকদের সেই দাবি মিটানোর লক্ষ্যে এবার রাঙামাটির ইতিহাসে প্রথম নতুন উদ্যোগে হাতে নিয়ে সবাইকে চমক দিয়েছেন রাঙামাটি অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের (সিএনজি চালক সমিতি) সাধারণ সম্পাদক শহিদুজ্জামান মহসিন রোমান। তার এ ধরণের ভিন্ন আঙ্গিকের কর্মকান্ডের জন্য তিনি ভ্রমণ পিপাসু পর্যটকসহসহ অনেকের প্রশংসা কুঁড়িয়েছেন।

এ বিষয়ে শহিদুজ্জামান মহসিন রোমান হিল রিপোর্টকে একান্ত সাক্ষাৎকারে জানান- আমি দীর্ঘদিন ধরে অনুভব করছি, রাঙামাটিতে প্রতিবছর হাজার হাজার পর্যটক ভ্রমণ করতে আসেন। কিন্তু জেলার অনেকগুলো সৌর্ন্দমন্ডিত পর্যটন স্পট না চেনায় ভ্রমণ না করে পর্যটকরা ফিরে যায়।

রোমান আরও জানান- আমি প্রথমে চিন্তা করেছিলাম রাঙামাটির গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন স্পটগুলোর চিত্র এক করে বিলবোর্ড তৈরি করে শহরের বিভিন্ন জায়গায় টাঙিয়ে দিবো। কিন্তু বিলবোর্ডগুলো উপকারের চেয়ে অপকার বেশি। এগুলো শহরের সৌন্দর্য বিনষ্ট করবে। তারপর অনেকদিন ধরে ভাবলাম পর্যটকদের সুবিধার্থে কি করা হয়।

তখনি ভাবনায় চলে আসে রাঙামাটি শহরে চলা-চলের প্রধান মাধ্যম হলো অটোরিক্সা (সিএনজি)। তাই দেরি না করে নিজের খরচে রাঙামাটির গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন স্পটের চিত্রগুলো এক করে সিএনজি’র ভিতরে টাঙিয়ে দিলাম।

রোমান বলেন- আমি বিশ্বাস করি এবার থেকে রাঙামাটিতে পর্যটকরা আসলে সিএনজিতে চলাচলের সময় আমার তৈরি পর্যটন স্পটের চিত্রগুলো তাদের নজরে আসবে। আর এ পর্যটন স্পটের চিত্রগুলো দেখে তারা অনায়সে জেলার সবগুলো পর্যটন স্পটগুলো ভ্রমণ করতে পারবেন।