॥ স্টাফ রিপোর্টার ॥

রাঙামাটিতে নিরাপত্তা বাহিনীর উপর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি নারীরা বর্বরোচিত হামলা করেছে। বুধবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলা শহরের রাঙ্গাপানি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেলে রাঙ্গাপানি এলাকায় দু’চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী অবস্থান করছে এমন গোপন সংবাদে ভিত্তিতে নিরাপত্তা বাহিনী ওই দু’চাদাঁবাজ সন্ত্রাসীকে আটক করার জন্য অভিযান পরিচালনা করে তাদের সেখান থেকে আটক করে।

তবে তাদের আটকে বাঁধা প্রদান করে ওই এলাকার পহাড়ি নারীরা। ওই নারীরা নিরাপত্তা বাহিনীর উপর লাঠি-সোঠা নিয়ে হামলা চালিয়ে আটক দুই চাঁদাবাজ সন্ত্রাসকে ছাড়িয়ে নেয়।

এ ঘটনার পর থেকে রাঙামাটির সচেতন মহল এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিন্দার ঝড় বইতে শুরু করে। সচেতন মহলের দাবি নিরাপত্তা বাহিনী হচ্ছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বাহিনী। তাদের উপর এমন দু:সাহসিক আক্রমণ করা সত্যি ঘৃণার জন্ম দিয়েছে এবং যারা এ ধরণের কর্মকান্ডে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

এদিকে ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। রাতে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ১১জনকে আটক করেছে।

আটককৃতরা হলো-১। মালতী চাকমা (৩৫), স্বামীঃ উমায়ে চাকমা, ২। সুভা চাকমা (৩৭), স্বামীঃ জ্যোতি চাকমা, ৩। রুবেশ চাকমা(৪২), পিতাঃ পেদারা চাকমা, ৪। অজিৎ চাকমা(৪৭), পিতাঃ তামরুল চাকমা, ৫। অন্তিক দেওয়ান(৪৪), পিতাঃ শ্যামা প্রসা দেওয়ান, ৬। রিপু চাকমা(২৭), পিতাঃ সুমি মোহন, ৭। সুমন চাকমা(২১), পিতাঃ পূর্ণধন চাকমা, ৮। জাবলিং খীসা(২৪)পিতাঃ প্রিতিরাজ, ৯। লক্ষীমনি চাকমা (৩৫) স্বামীঃ মিথুন চাকমা, ১০। রুপন চাকমা(৪০)স্বামীঃ কোইজ চাকমা, ১১। কালেবরতœ চাকমা(৩৩) স্বামীঃ ফেইল্যা চাকমা।

কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সত্যজিৎ বড়ুয়া আটকের সত্যতা স্বীকার করে বলেছেন, আমরা ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে কিছু লোকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় এনেছি। সার্বিক বিষয়ে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তীতে বিস্তারিত জানাতে পারবো।