স্টাফ রিপোর্টার । হিলরিপোর্ট

রাঙামাটি: করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের ঘোষিত সাধারণ ছুটির কারণে মানুষ কর্মহীন হয়ে এখন ঘরবন্দী। যার কারণে খেটে খাওয়া ও নিন্ম আয়ের মানুষের ক্রয় ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে। এজন্যই রাঙামাটি শহরের ৯টি স্থানে ১০ টাকা দামে ওএমএসের চাল বিক্রি শুরু হয়েছে। রোববার (০৫ এপ্রিল) সকাল থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, করোনা ভাইরাসে কারণে সামাজিক বা শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা থাকলেও মানা হচ্ছে এসব নিয়মকানুন। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে চাল ক্রয় করছেন ক্রেতারা।

এই নিয়ে ক্রেতাদের সাথে কথা বলে তারা জানান, এখানে সামাজিক বা শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা হচ্ছে না। কারণ বজায় রাখাও সম্ভব নয়। শত শত মানুষের ভীড় এখানে। ডিলারা তাদের কাছে চাল বিক্রি করতে হিমশিম খাচ্ছেন বলে তারা জানান।

ওএমএস এর ডিলার মোঃ আবু তৈয়ব জানান, ওএমএস এর ১০ টাকা দামে চাল বিক্রি আগামী জুন মাস পর্যন্ত চলবে। প্রতি সপ্তাহে তিনদিন রোবার,মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চাল বিক্রি করা হবে। প্রতিদিন চারশত পরিবার কাছে ২ টন বা দুই হাজার কেজি চাল বিক্রি করা যাবে। তবে যেকোন ওয়ার্ডে নাগরিক তার জাতীয় পরিচয় পত্র প্রদর্শন করে চাল ক্রয় করতে পারবে বলে তিনি জানান।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বোরহান উদ্দীন মিঠু বলেন, আমরা চেষ্টা চালাচ্চি দূরত্ব বজায় রাখতে। এজন্য পুরো শহর জুড়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হচ্ছে। তবে মানুষ একটু ফাঁক পেলে গোলাযোগ করে। এজন্য পুলিশ সদস্যরা কাজ করছে যাতে দূরত্ব বজায় রেখে কর্মকান্ড পরিচালনা করা হয়। পরবর্তী সময়ে সামাজিক দূরত্ব এঁকে দেওয়া হবে বলে জানান ম্যাজিস্ট্রেট।

শহরের যেসব স্থানে চাল বিক্রি করা হচ্ছে, রিজার্ভবাজার এলাকায় গতাশ্রম মন্দির , শহীদ আব্দুল আলী একাডেমী,তবলছড়ি এলাকায় ইয়ুধ ক্লাব, রাঙ্গামাটি পাবলিক কলেজ,আসামবস্তি এলাকায় মাশরুম ট্রেনিং সেন্টার, ভেদভেদী এলাকায় সড়ক ও জনপথ কারখানা বিভাগ, সদর উপজেলা কার্যালয় প্রাঙ্গণ, রানী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয় ও কাঠালতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গণে এসব চাল বিক্রি করা হচ্ছে।