॥ স্টাফ রিপোর্টার ॥

আসন্ন ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদীয় নির্বাচনে রাঙামাটি ২৯৯ সংসদীয় আসনে ১০ উপজেলার ৫০ টি ইউনিয়ন ও ২ টি পৌরসভা এলাকার ২০৩টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১৩৬ টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন।

এর মধ্যে রাঙামাটি পৌর এলাকার ভোট কেন্দ্র হচ্ছে ৫ টি,সদর উপজেলায় ১৮টি, কাউখালী উপজেলায় ১৪ টি,নানিয়ারচর উপজেলায় ১৩ টি, কাপ্তাই উপজেলায় ১২টি,রাজস্থলী উপজেলায় ৭টি, বিলাইছড়ি উপজেলায় ১১ টি, লংগদু উপজেলায় ১২ টি, বরকল উপজেলায় ৭টি, জুরাছড়ি উপজেলায় ১২ টি, বাঘাইছড়ি উপজেলায় ২৫টি ভোট কেন্দ্র। বাকী ৬৭ টি ভোট কেন্দ্র সাধারন কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে- আগামী ৩০ ডিসেম্বর এর সংসদ নির্বাচনে সার্বিক আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য রাঙামাটি পুলিশ প্রশাসন এর পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। রাঙামাটির ২০৩ টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১৬৭ টি গুরুত্বপূর্ন ভোট কেন্দ্রের প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন ১২ জন আনসার ও ৩ জন করে পুলিশ বাহিনীর সদস্য।

অপরদিকে, ৫০ টি ইউনিয়নের প্রতিটি ইউনিয়নে থাকবে একটি করে মোবাইল টিম। এছাড়াও নির্বাচনে সেনাবাহিনী, র‌্যাব ও বিজিবির সমন্বয়ে কাজ করবে স্ট্রাইকিং ফোর্স। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রের বাহিরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন ২০ জন করে আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্য।

এ প্রসঙ্গে রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার আলমগীর কবির বলেন- আগামী ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা এবং সার্বিক আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি আমরা সম্পন্ন করেছি। তিনি বলেন, নির্বাচনে পুলিশ,র‌্যাব, সেনাবাহিনী,বিজিবি স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে।

এ বিষয়ে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশীদ জানান- আমরা সব কেন্দ্রগুলোকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছি। নির্বাচনী প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। যে কোন প্রস্তুতি মোকাবেলা করতে প্রশাসন সদা প্রস্তুতি রয়েছে বলে ডিসি জানান।