॥ মঈন উদ্দীন বাপ্পী ॥

সারাদেশের ন্যায় আগামী ১৯জানুয়ারী শনিবার রাঙামাটির ৭৮হাজার অধিক শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াসো হবে। ওইদিন জেলায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন (২য় রাউন্ড ) অনুষ্ঠিত হবে।

এ কার্যক্রমের মাধ্যমে ৬-১১ মাস বয়সী সব শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটমিন ‘এ’ ক্যাপসুল (১,০০,০০০ আইইউ) এবং ১২-৫৯মাস বয়সী সব শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (২,০০,০০০ আইইউ) খাওয়ানো হবে।

কার্যক্রমের অংশ হিসেবে জেলার ১০টি উপজেলা,  একটি পৌরসভা এবং ৫০টি ইউনিয়ন মিলে সর্বমোট ১৫৯টি ওয়ার্ডে ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। বুধবার (১৬জানুয়ারী) সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে এক সংবাদ সন্মেলনের মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন- সিভিল সার্জন ডা. শহীদ দালুকদার, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. নীহার রঞ্জন নন্দী, প্রবীণ সাংবাদিক একেএম মকসুদ আহম্মেদ এবং রাঙামাটি রিপোটার্স ইউনিটির সভাপতি সুশীল প্রসাদ চাকমা।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে জানানো হয়- রাঙামাটির ৬-১১মাস বয়সী ৯হাজার ৬৪ এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৬৯হাজার ৭৪১জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। মোট ১হাজার ৩১৫টি কেন্দ্রের ( অস্থায়ী ১৩০২, অতিরিক্ত ১৩) মাধ্যমে এ ক্যাম্পেইন চলবে। প্রতিটি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেলে ৪টা পর্যন্ত এ ক্যাম্পেইন খোলা থাকবে।

এর আগে গত জুলাই মাসে প্রথম রাউন্ডে ৬-১১মাস বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে ৯৮.১৯ শতাংশ লক্ষমাত্রা অর্জিত হয়েছে। এছাড়া ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে ৯৯.৬১ শতাংশ লক্ষমাত্রা অর্জিত হয়েছে।

কার্যক্রমে মোট স্বেচ্ছাসেবী ও স্বাস্থ কর্মীর সংখ্যা ২৬৩০ (স্বেচ্ছাসেবী ২২০১, মাঠকর্মী ৪২৯) জন এবং ১ম সারীর ২৪১ জন তদারকারীর অংশ নিবেন।

সভায় জানানো হয়- শিশুর সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকা, স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং দৃষ্টী শক্তির জন্য ভিটামিন ‘এ’ খুবুই গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন ‘এ’ এর অভাবে রাতকানা রোগ নানা রোগে আক্রান্ত হতে পারে শিশু এমনকি মৃত্যু হতে পারে। বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য নীতিমালা অনুযায়ী বছরে দু’বার সম্পূরক খাদ্য হিসেবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়।