॥ স্টাফ রিপোর্টার ॥

 রাঙামাটি-চট্টগ্রাম মহাসড়কে উন্নতমানের বাস সার্ভিস চালুর দাবি জানিয়েছেন ‘রাঙামাটি যাত্রী কল্যাণ সমিতি’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। শনিবার (০৮ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে রাঙামাটি প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সংবাদের সন্মেলনের মাধ্যমে এ দাবি তুলেন তারা।

সংগঠনটির নেতারা বলেন, দীর্ঘ ৫০বছরেরও অধিক সময় ধরে রাঙামাটি জেলার কয়েকলক্ষ মানুষকে জিম্মি করে রেখেছে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মোটর মালিক সমিতি। এ সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে নৈরাজ্য সৃষ্টির মাধ্যমে চাঁদাবাজি, ফিটনেসবিহীন গাড়ি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং উন্নত গাড়িকে রাঙামাটিতে প্রবেশে বাধাদান এবং মোটা অংকের চাঁদা আদায়সহ নানা কায়দায় হয়রানী করে আসছে।

রাঙামাটিবাসীর প্রাণের দাবি ছিলো এ রুটে দেশের ৬৪ জেলার সাথে যোগাযোগে উন্নতমানের বাস সার্ভিস চালু এবং তাদের হয়রানী থেকে বাঁচতে দীর্ঘবছর ধরে আন্দোলন করে আসছে। গত কয়েকদিন আগেও রাঙামাটি যাত্রী সাধারণরা আন্দোলনের মাধ্যমে পাহাড়িকা সার্ভিস চলাচল বন্ধ করে দেয়।

এর আগে অতীতে রাঙামাটি কল্যাণ সমিতি নামের একটি সংগঠন রাঙামাটির যাত্রীদের কথা ভেবে নতুন বাস সার্ভিস চালু করে। কিন্তু চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মোটর মালিক সমিতি চট্টগ্রামে রাউজান এলাকায় ব্যারিকেট দিয়ে বাস সার্ভিস বন্ধ করে দেয়।

রাঙামাটির তৎকালীন ডিসি যাত্রীদের দুর্ভোগ লাগবে রুটে ২০টি বিআরটিসি বাস চালু করে। অবশেষে সমিতির নেতারা যাত্রীদের উন্নতমানের সেবা প্রদান করবে এই মর্মে ডিসির কাছে ক্ষমা চেয়ে তাদের পুরনো সার্ভিস আবারো চালু করে। কিন্তু তাদের নৈরাজ্য ও চাঁদাবাজি এবং যাত্রী দুর্ভোগ সমস্যা থামেনি, বরং আরও বেড়ে গেছে বলে তারা অভিযোগ করেন।

এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে রাঙামাটিতে আত্মপ্রকাশ ঘটেছে ‘রাঙামাটি যাত্রী কল্যাণ সমিতি’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। সংগঠনটির নেতারা দাবি করেন, আমরা আর বসে থাকবো না। গত কয়েকদিনের মধ্যে আমরা চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মোটর মালিক সমিতির সাথে কথা বলবো এবং স্থানীয় এমপিকে এ বিষয়ে অবগত করবো। সমস্যার সমাধান না হলে আন্দোলন আরও বেগমান করা হবে হুুঁিশয়ারী উচ্চারন করেন তারা।

সংবাদ সন্মেলনে সংগঠনটির আহবায়ক আনোয়ার মিয়া বানুর সভাপতিত্বে এসময় সংগঠনটির উপদেষ্টা একেএম মকসুদ আহম্মেদ, জহির আহমে¥দ সওদাগর, সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম মুন্না, রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন রুবেল, সাধারন সম্পাদক আনোয়ার আল হকসহ সংগঠনটির সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।