॥ স্টাফ রিপোর্টার ॥

পার্বত্য এলাকার দেশীয় জাতের গবাদি পশুর চাহিদা সারা দেশে প্রচুর রয়েছে। এই চাহিদার কথা চিন্তা করে দুর্গম এলাকায় গবাদী পশু পালনের উদ্যোগকে আরো বেশী বেগবান করতে প্রানী সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন জেলা পরিষদ সদস্য ও প্রাণী সম্পদ বিভাগের দায়িত্ব প্রাপ্ত আহবায়ক রেমলিয়ানা পাংখোয়া।

তিনি বলেন, প্রানী সম্পদ বিভাগের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে পার্বত্য অঞ্চলের ভ’মিকা রাখা সম্ভব। এই সম্ভাবনাময় খাতকে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ কাজে লাগানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সেই চেষ্টা বাস্তবায়নে প্রাণীসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তাদের ভূমিক গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

মঙ্গলবার (৫ ফেব্রুয়ারী) সকালে জেলা প্রানীসম্পদ বিভাগে জেলা পরিষদের অর্থায়নে ১০ উপজেলার প্রানী সম্পদ কর্মকর্তাদের হাতে গবাদি পশু ও হাঁস মুরগীর ঔষধ বিতরণ কালে তিনি এ কথা বলেন।

জেলা পরিষদ সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া বলেন, প্রান্তিক এলাকায় খামার শিল্পের উন্নয়নে পরিষদের অর্থায়নে এ ওষুধগুলো বিতরণ করছে। প্রকৃত খামারীরা যাতে ওষুধগুলো যথাযথভাবে গবাদী পশু পাখির জন্য ব্যবহার করে তাদের অর্থনৈতিক উন্নতি ঘঠাতে পারে। খামারীদের সু পরামর্শ প্রদানে তিনি উপজেলা প্রাণীসম্পদ দপ্তরের ভেটেরিনারী ও সকল কর্মকর্তাদের আহ্বান জানান।

এ সময় জেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা মনোরঞ্জন ধর, জেলা প্রাণীসম্পদ দপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ দেবরাজ চাকমা, প্রাণীসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা রতন কুমার দে’সহ বিভিন্ন উপজেলার প্রাণী সম্পদ দপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জনগন উপস্থিত ছিলেন।

পরে জেলা পরিষদ সদস্য ও প্রাণীসম্পদ বিভাগের দায়িত্ব প্রাপ্ত আহবায়ক রেমলিয়ানা পাংখোয়া ১০ উপজেলার প্রানী সম্পদ কর্মকর্তাদের হাতে ঔষধ তুলে দেন।