স্টাফ রিপোর্টার । হিলরিপোর্ট

রাঙামাটি: অপহৃত নুরুল আলম নামের এক কাতার প্রবাসীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৩সেপ্টেম্বর) রাতে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন, অপহৃতের বড় ভাই ও মামলার বাদী মো. কুতুব উদ্দিন।

মামলার বাদী মো. কুতুব উদ্দিন বলেন, শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের ধনিয়া মুসলিম পাড়ার তার বড় ভাই কাতার প্রবাসী নুর মোহাম্মদের বাগানবাড়ি থেকে তার ছোট ভাই নুরুল আলমকে ১০-১২জনের পাহাড়ি-বাঙালী সন্ত্রাসী একটি দল জোর করে তুলে নিয়ে যায়।

এরপর রোববার সকালে নুরুল আলমের ব্যক্তিগত মুঠোফোন থেকে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরার আমার বড় ভাই কাতার প্রবাসী নুর মোহাম্মদের মুঠোফোনে কল করে এককোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণ না দিলে তাকে জানে মেরে ফেলার হুমকি প্রদর্শন করে সন্ত্রাসীরা।

এ ঘটনার পরপরই তিনি অজ্ঞাত অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে চন্দ্রঘোনা থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার একদিন পর সোমবার বিকেল ৫টার দিকে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা তার মুঠোফোনে ফোন করে চট্টগ্রামের রাঙুনিয়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের রাজারহাট বাজারে একটি মোটরসাইকেলের তার ভাইকে রাখা হয়েছে বলে নিয়ে যেতে বলেন। এ এরপরই তিনি চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশের সহায়তায় ওই স্থানে গিয়ে তার ভাইকে উদ্ধার করেন। বর্তমানে তার ভাইকে চন্দ্রঘোনা থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং মঙ্গলবার সকালে বাড়ির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হবে বলে তিনি যোগ করেন।

অজ্ঞাত কাতার প্রবাসী নুরুল আলম তার বড় ভাই আরেক কাতার প্রবাসী নুর মোহাম্মদের রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের ধনিয়া মুসলিম পাড়ার বাগানবাড়ি পরিদর্শনে এসেছেন। গত ১১ সেপ্টেম্বর দিনগত মধ্যরাতে তাকে বাগান বাড়ি থেকে একদল সন্ত্রাসী জোর পূর্বক তুরে নিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, ভিকটিম নুরুল আলমের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার নোয়াপাড়ায়।

চন্দ্রঘোনা থানার ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভিকটিমের জবানবন্দী নেওয়া হচ্ছে। জবানবন্দী নেওয়া শেষ হলে পরিবারের কাছে ভিকটিমকে হস্তান্তর করা হবে।

ওসি আরও বলেন, অপহরণকারীদের মধ্যে আমরা দু’জনকে প্রাথমিক ভাবে সনাক্ত করেছি। মামলার সুবিধার্তে নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তবে পুরো চক্রটিকে ধরার চেষ্টা চলছে।