এস চৌধুরী । হিলরিপোর্ট

কাপ্তাই: কর্ণফুলি নদীর উপর নির্মিত বাঁধ দিয়ে পানি আটকিয়ে জল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫ টি ইউনিট চালু রেখে প্রায় ২৩০ মেগা ওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে সরবরাহ করা হয়।

এই বাঁধ নির্মানের ফলে রাঙামাটি জেলার অধিকাংশ এলাকা আবাদি জমি,ঘরবাড়ী পানিতে ডুবে যায়।ফলে অনেক উপজাতীয় জনগোষ্ঠী ক্ষতিগ্রস্ত হয়।ক্ষতিপূরন হিসাবে যতসামান্য অর্থকরী পেয়ে থাকলে তাদের মধ্যে হিংসা বিদ্বেস দানা বাঁধতে থাকে।এর ফলশ্রুতিতে এক সময় সৃষ্টি হয় শান্তি বাহিনী।

অনেক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর এক সময় সরকার ঘোষিত সাধারন ক্ষমার আওতায় একটা গোষ্টি কিছু সংখ্যক অস্ত্র জমা দিয়ে সরকারীভাবে সুযোগ সুবিধা গ্রহন করলেও আর একটা গোস্টি বিদ্রোহ ঘোষনা করল। এই ভাবে পার্বত্য অঞ্চলে সৃষ্টি হলো হানাহানি। চায় স্বায়ত্ব শাসন।

এই বাঁধ ও কর্ণফুলি নদীর নয়নাভিরাম অপরুপ সৌন্দর্য কাপ্তাইবাসীকে করেছে পুলকিত।বর্তমানে করোনা ভাইরাস সংক্রমন রোধে ব্যবস্হাপক বাঁধে চলাচলের উপর কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করায় জনগনের মধ্যে চাপাক্ষোভ বিরাজ করছে।

কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবস্থাপক বলেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলা হলেও নিরাপত্তা প্রহরীদের কথা কেউ মানছেন না। তাই জনাগম বৃদ্ধির কারণে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতে পারে পুরো এলাকা লকডাউ ঘোষণা করা হয়েছে।