॥ মঈন উদ্দীন বাপ্পী ॥

রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন- শান্তির জন্য সংহতি জরুরী, মানুষের উন্নয়নে আমাদের সকলে মিলে কাজ করতে হবে। সোমবার দুপুরে পুরোহিত ও সেবাইতদের দক্ষতাবৃদ্ধিকরন কার্যক্রম (২য় পর্যায়) রাঙামাটি জেলা কার্যালয়ের আয়োজনে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষ্যে অনুষ্ঠিত রাঙামাটিতে তিন পার্বত্য জেলার ভারপ্রাপ্ত পুরোহিত ও সেবাইতদের নিয়ে দিনব্যাপী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডিসি বলেন-আমরা যে যার ধর্ম পালন করি না কেন; সকলের উদ্দেশ্যে এক। মানুষের কল্যাণ করা। বর্তমান সরকার দেশের মানুষের উন্নয়নে কাজ করছে। মসজিদ, মন্দির গীর্জা নির্মাণ করে দিচ্ছে। শুধু ধর্মীর গুরুদের জীবন মান উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর। তাই পুরোহিতদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আত্মসামাজিক উন্নয়নে কল্যাণ ট্রাস্টের অধীন প্রশক্ষিণ ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করছেন। বক্তব্যের আগে তিনি এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।

ধর্মীয় ও আর্থ সামাজিক প্রেক্ষেপটে পুরোহিত, সেবাইতদের দক্ষতাবৃদ্ধিকরন কার্যক্রমের প্রকল্প পরিচালক প্রফেসর শিখা চক্রবর্ত্তী এর সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- রাঙামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক তপন কুমার পাল ও রাঙামাটি পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষে লিটন দেব। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন- রাঙামাটি জেলার পুরোহিত পুলক চক্রবর্ত্তী, বান্দরবান জেলার পুরোহিত নির্মল চক্রবর্ত্তী, খাগড়াছড়ি জেলার পুরোহিত ভূবতি রঞ্জন চক্রবর্ত্তী এবং সেবাইতদের পক্ষে মিঠু কান্তি সেন।

সম্মেলনে পুরোহিতরা বলেন- বর্তমানে জীবন মানের ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। কিন্তু তার সাথে তাল মেলাতে হলে সরকার আমাদের যে সহায়তা প্রদান করছে তা দিয়ে চলতে পারছি না। তাই সরকারের কাছে অনুরোধ রইলো- জীবন মানের কথা ভেবে আমাদের সহায়তার পরিমাণ বৃদ্ধি করার হোক। সম্মেলনে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের ভারপ্রাপ্ত পুরোহিত ও সেবাইতগণ অংশ নেন।