॥ স্টাফ রিপোর্টার ॥

রাঙামাটির সবচেয়ে উচু এবং রোমাঞ্চকর ফুরোমন পাহাড়ে এবার ৩৩জন তরুণ অভিযাত্রা করবেন। বৃহস্পতিবার (২৯নভেম্বর) সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড’র কর্ণফুলী সন্মেলন কক্ষে সংবাদ সন্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড’র চেয়ারম্যান নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা, ভাইস চেয়ারম্যান তরুণ কান্তি ঘোষ, সদস্য পরিকল্পনা ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল রেদওয়ান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নজরুল ইসলাম, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক শফিউল আজম ও বাংলাদেশ অ্যাডভেঞ্চার ক্লাবের প্রতিনিধি মশিউর রহমান খন্দকার।

সংবাদ সন্মেলনে জানানো হয়- পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবান থেকে ২১জন এবং জেলার অন্যান্য স্থান থেকে ২নারীসহ ১২জন ফুরোমন পাহাড় অভিযাত্রায় অংশ নিবে।

তাদের অভিযাত্রার সময় সেনাবাহিনীর বিশেষ দল তাদের সার্বিকভাবে সহযোগিতা করবে। রাঙামাটি সেনা জোনের পক্ষ থেকে তাদের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হবে।

শুক্রবার ৩০নভেম্বর সকাল ৯টার দিকে সাপছড়ি বিদ্যালয় মাঠ থেকে ফুরমোন পাহাড় অভিযাত্রা শুরু হবে কার্যক্রম শুরু হবে। এক্সপিডিশনে অংশগ্রহণকারীরা তাদের নিজ নিজ ট্রেকিং গ্যাজটস নিয়ে খাড়া অফ ট্রেইল রোড দিয়ে পাহাড়ের উপর উঠবে

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা বলেন – রাঙামাটি শহরের মধ্যে কোলাহল মুক্ত এবং সৌন্দের্য্যে প্রতীক হলো ফুরমোন পাহাড়। রাঙামাটি শহর থেকে কুতুকছড়ি যাওয়ার পথে সড়কের পাশে ফুরমোন পাহাড়টি অবস্থিত। এ পাহাড়ের চূড়া থেকে রাঙামাটির পুরো শহর দেখা যায়। এছাড় প্রকৃতির সব রূপ এ পাহাড়ে দৃশ্যমান। যেন মেঘের ভেলায় চরে প্রকৃতি এখানে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছে।

কিন্তু মানুষের তেমন আসা যাওয়া না থাকার কারণে এ পাহাড় পর্যটকদের কাছে তেমন পরিচিত না। তাই রাঙামাটির সম্ভাবনাময় পর্যটন স্পর্ট হিসেবে মানুষের কাছে পরিচিত করতে ফুরমোন ট্রেকিং এক্সপিডিশনের আয়োজন করা হয়েছে।